teacher
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: দ্য রাইট অব চিলড্রেন টু ফ্রি অ্যান্ড কমপালসরি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০১৭-তে গত বছরই ঘোষণা করা হয়েছে, শিক্ষাদানের ‘ন্যূনতম যোগ্যতা’ নেই অথবা অ-প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের পর্যাপ্ত যোগ্যতা অর্জন অথবা শিক্ষণ প্রশিক্ষণ (বিএড) সম্পূর্ণ করতে হবে আগামী ২০১৯ সালের মধ্যেই। এ নিয়ে কম আন্দোলন-বিক্ষোভ মায় মামলা-মোকদ্দমা হয়নি। কিন্তু কেন্দ্র অটল রয়েছে নিজের সিদ্ধান্তে। ন্যূনতম যোগ্যতাহীন অথবা অ-প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য নেওয়া হয়েছে চাহিদা পূরক ব্যবস্থা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কয়েক হাজার শিক্ষক নিজেদের ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। সে বিষয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করল শিক্ষা সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি।

পূর্বতন রাইট টু এডুকেশন অ্যাক্ট মোতাবেক ২০১০ সালের ১ এপ্রিল লাগু হওয়া আইনে বলা হয়েছিল, ৩১ মার্চ, ২০১৫-র মধ্যেই ওই যোগ্যতামান পূরণ করতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়া শিক্ষকদের ছাঁটাই করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি অকেজো হয়ে পড়বে, এই আশঙ্কা থেকেই নীতি পরিবর্তন করা হয়। তবে নতুন নিয়মানুযায়ী, হাতে আর সময় রয়েছে মাত্র একটি বছর। যে কারণে সংসদীয় কমিটি এখন থেকেই এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে নেমে পড়েছে।

মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকে জমা দেওয়া রিপোর্টে কমিটি বলেছে, এমন কয়েক হাজার স্কুল শিক্ষক রয়েছেন যাঁরা ন্যূনতম যোগ্যতাহীন আবার তাঁদের কোনো শিক্ষণ প্রশিক্ষণ বা বিএড ডিগ্রি নেই। স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেই, আবার নতুন নিয়মানুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে ৫০ শতাংশের উপরে মার্কস পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের দুর্বলতা ধরা পড়েছে।

কমিটির হাতে থাকা সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী কোনো একটি যোগ্যতামান নেই এমন শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। এই সংখ্যা কিছুটা কমলেও কমতে পারে। কিন্তু যোগ্যতামান পূরণ করতে না পারলে তাঁদের শিক্ষাঙ্গন থেকে ছাঁটাই করা হতে পারে ওই আইন অনুসারেই।

আরও পড়ুন:  স্কুল শিক্ষকদের নিয়ে সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট, বাংলার হালও বেহাল

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here