Connect with us

দেশ

মহারাষ্ট্রে বিজেপি-শিবসেনা লড়াইয়ে সরকার গঠনের সম্ভাব্য ৬ ছক

Maharashtra

ওয়েবডেস্ক: মহারাষ্ট্রে নতুন সরকার গঠন নিয়ে নাটক পুরো মাত্রায় অব্যাহত। ২৮৮ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৪৫ বিধায়ক। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি, শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেস পেয়েছে যথাক্রমে ১০৫, ৫৬, ৫৪ এবং ৪৪টি আসন। এমন আসন বিন্যাস এবং বর্তমান নাটকীয় পরিস্থিতিতে কী হতে পারে মহারাষ্ট্র সরকারের চেহারা? রইল তারই কয়েকটি সম্ভাব্য চিত্র।

১. শিবসেনার সমর্থনে বিজেপির সরকার

ভোটের প্রচারে এই জোট সরকারের কথাই তুলে ধরেছিল বিজেপি-শিবসেনা। কিন্তু ভোটের ফলাফলে প্রত্যাশা মতো জয় পায়নি দুই দল। ২০১৪ বিধানসভা নির্বাচনের থেকে আসন কমেছে দুই দলেরই। শিবসেনা দাবি করেছে সরকারের ৫০:৫০ অংশীদারিত্ব। বিজেপি বলছে, তেমন কোনো কথা হয়নি। তবুও শিবসেনার দাবি মেনে বিজেপি আড়াই বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লে জোট সরকার এখনও গঠিত হতে পারে।

২. বিজেপি একাই সরকার গড়তে পারে

১০৫ জন বিধায়ক নিয়ে বিজেপি মহারাষ্ট্রের বৃহত্তম দল। ফলে বিজেপি এই বল নিয়েই সরকার গঠন করতে পারে। তবে শর্ত রয়েছে। সাংবিধানিক নিয়মানুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিধানসভায় তাদের শক্তি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হবে। এবং শক্তিপরীক্ষায় জিতে দেখাতে হবে। ভিতরে ভিতরে বিজেপি তেমন কোনো প্রক্রিয়া চালালেও অবাক হওয়ার কোনো কারণ নেই।

৩. বিজেপি কিছু বিধায়ক পেয়ে গেলে

Devendra Fadnavis

একক দল হিসাবে সরকার গড়তে বিজেপির প্রয়োজন আরও ৪০ জন বিধায়ক। সে ক্ষেত্রে যদি নির্দল এবং শিবসেনা মিলিয়ে ওই সংখ্যক বিধায়ত জোগাড় করতে সফল হয়, তা হলে তারাই সরকার গড়তে সক্ষম হয়ে যেতে পারে। এমনিতেই শোনা যাচ্ছে, ২৫ জন শিবসেনা বিধায়ক মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও এ খরবের সত্যতা স্বীকার করেনি শিবসেনা।

৪. কংগ্রেস-এনসিপির সরকার গঠন

Rahul Gandhi and sharad Pawar

বিধানসভায় বিজেপি শক্তিপরীক্ষায় ব্যর্থ হলে সরাসরি সরকার গঠনের অধিকার পেয়ে যেতে পারে কংগ্রেস-এনসিপি জোট। এমন সম্ভাবনা নিয়েও গত সোমবার এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারের সঙ্গে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর কথা হয়ে থাকতে পারে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিজেপিকে আটকাতে শিবসেনা জোট ছেড়ে কংগ্রেস-এনসিপিকে বাইরে থেকে সমর্থন করতে পারে।

৫. এনসিপির সরকার গঠন

শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে ইঙ্গিত দিয়েছেন এনসিপিকে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার। এনসিপির সঙ্গে আছেন কংগ্রেস বিধায়করা। স্বাভাবিক ভাবেই শরদ পওয়ারের দল সেই অঙ্কেই মহারাষ্ট্রের নতুন সরকার গঠনের দাবি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে যেতে পারে। তবে এটা সম্ভব, যদি বিজেপি এবং শিবসেনা জোটের ভাঙন নিশ্চিত হয়।

৬. শেষমেশ যা হওয়ার

যদি বিজেপি, শিবসেনা, কংগ্রেস এবং এনসিপি- কোনো দলই সরকার গঠনে সক্ষম না হয়, তা হলে রাষ্ট্রপতি শাসনের অধীনে চলে যাবে মহারাষ্ট্র। বিধানসভার ভোট হয়েছিল গত ২১ অক্টোবর। ফলাফল প্রকাশ হয় গত ২৪ অক্টোবর। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামী ৮ নভেম্বর শেষ হচ্ছে চলতি বিধানসভার মেয়াদ!

দেশ

“১৫ আগস্টেই বাজারে আসবে, তবে ২০২১-এ,” কোভ্যাক্সিন নিয়ে সরকারি সময়সীমার তীব্র নিন্দা বিশেষজ্ঞদের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গত সোমবারই, ভারতে তৈরি প্রথম করোনা-ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাক্সিন’ (Covaxin) এর মানবশরীরে পরীক্ষানিরীক্ষা চালানোর জন্য ভারত বায়োটেককে ছাড়পত্র দিয়েছিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই)। তার চার দিনের মাথায় আইসিএমআর (ICMR) জানিয়ে দিল, তারা চায় ১৫ আগস্ট এই টিকাটিকে বাজারজাত করতে।

দেশের যে ১২টি প্রতিষ্ঠানে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষানিরীক্ষা চালানো হবে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলিতে চিঠি দেন আইসিএমআরের ডিরেক্টর ডঃ বলরাম ভার্গব।

সে সব স্বেচ্ছাসেবকের ওপরে এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে, ৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের নাম নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আইসিএমআর। আইসিএমআর জানিয়েছে, কোভিডের (Covid 19) মতো সংক্রমণ রুখতে ও দ্রুত প্রতিষেধক বাজারে আনার তাগিদে ওই সংস্থাগুলিকে সমস্ত প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দ্রুত জোগাড় করে কাজ শুরু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভার্গব চিঠিতে লিখেছেন, প্রকল্পটির নজরদারি চলছে সরকারের একেবারে শীর্ষ স্তর থেকে। নির্দেশ না মানলে কঠোর মনোভাব নেবে সরকার।

মানবশরীরে প্রয়োগ করার ছাড়পত্র পাওয়ার মাত্র দু’ মাসের মধ্যে কোনো টিকা বাজারে চলে এল, এই ধরনের ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। আর এটা কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

ইন্ডিয়ান জার্নাল অব মেডিক্যাল এথিক্সের সম্পাদক অমর জেসানি এই প্রসঙ্গেই বলেন, “মানবশরীরে প্রয়োগ শুরু হওয়ার আগেই বাজারে নিয়ে আসার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করে দেওয়া হল। আমি জানি না, এই ধরনের ঘটনা বিশ্ব আর কখনও ঘটেছে কি না। বিজ্ঞান এ ভাবে কাজ করে না।”

ভার্গবের এই চিঠির প্রসঙ্গে আইসিএমআরেরই এক কর্তা বসন্ত মুতুস্বামী বলেন, “আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলছে টিকাকে বাজারে নিয়ে আসার জন্য এত কম সময়সীমা দেওয়া যায় না।”

যে সব চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এই টিকাটি মানবশরীরে প্রয়োগ করা হবে, তাঁরাও বলছেন এই সময়সীমা আদৌ বাস্তববাদী নয়।

‘এটা মানবশরীরে প্রয়োগ করতে হবে, কোনো জীবজন্তুর শরীরে নয়’

যে ১২টি প্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষা চালাবে, তাদের মধ্যে ৭টা প্রতিষ্ঠান এখনও স্বাধীন নীতি কমিটির (Independent Ethics Committee) কোনো ছাড়পত্রই জোগাড় করতে পারেনি। এই ছাড়পত্র না পেলে মানবশরীরে প্রয়োগ করার কাজটি শুরুই করা যায় না।

এই ১২টি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম ভুবনেশ্বরের ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সায়ান্সেস। সেখানকার চিকিৎসক, তথা এই পরীক্ষানিরীক্ষার দায়িত্বে থাকা ডঃ বেঙ্কট রাও বলেন, “যে যা-ই বলুক, আমি নীতি কমিটির ছাড়পত্র না পেলে এক চুলও এগোবো না।”

তিনি যোগ করেন, “আমার কোনো অনমনীয় মনোভাব নেই। কিন্তু আমি বলছি, সব নিয়ম পরিষ্কার ভাবে পালন করে তবেই আমি এগোব। আমার প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল কারও কোনো ক্ষতি করা যাবে না।”

আরও একটি প্রতিষ্ঠানের এক কর্তা বলেন, “এটা বিজ্ঞানসম্মত কোনো চিঠিই নয়। নীতি কমিটি ছাড়পত্র না দিলে ৭ জুলাই কেন, ৭ ডিসেম্বরও মানবশরীরে প্রয়োগ করার পরীক্ষা শুরু করতে পারব না। প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করলেও প্রোটোকল থেকে সরতে পারব না। এটা মানবশরীরে প্রয়োগ করতে হবে, জীবজন্তুর শরীরে নয়।”

এখনও পর্যন্ত যে ৫টি প্রতিষ্ঠান এই ছাড়পত্র জোগাড় করেছে, তাদের মধ্যে চারটেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে একটি, কর্নাটকের বেলগাঁওয়ের জীবনরেখা হাসপাতাল। সরকারি সময়সীমা মানার ব্যাপারে এই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট আশাবাদী।

হাসপাতালের এক কর্তা বলেন, “১৫ আগস্টের মধ্যে সব কাজ শেষ হবে বলে আমরা আশাবাদী। সরকার যদি একটা তারিখ নির্দিষ্ট করে থাকে, নিশ্চয় তারা কিছু ভেবেচিন্তেই করেছে।”

তিন ধাপে মানবশরীরে প্রয়োগ করা হয়

অনেক প্রতিষ্ঠানই এই সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছে। প্রথমত, ৭ জুলাইয়ের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবকদের নথিভুক্ত করা কোনো ভাবেই সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন লখনউয়ের কিং জর্জ হাসপাতালের এক কর্তা। তাঁর কথায়, “আদৌ আমরা এই সময়ের মধ্যে ছাড়পত্র (নীতি কমিটির) পাই কি না, সেটাই দেখার।”

সেই ছাড়পত্র যদিও বা পাওয়া যায়, ১৫ আগস্টের মধ্যে মানবশরীরে পরীক্ষার ফল, অর্থাৎ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল কোনো ভাবেই প্রকাশ করা যাবে যাবে না, এমনই জানাচ্ছেন ওই কর্তা। এই ১২টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১১২৫ জনের শরীরে এই টিকা পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করার কথা।

সাধারণত তিনটে ধাপে একটি নতুন টিকার মানবশরীরে প্রয়োগের পরীক্ষা চালানো হয়। প্রথম ধাপে, অল্প সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকের ওপরে এই টিকা প্রয়োগ করা হয়। টিকাটি কতটা নিরাপদ, সেটা দেখা হয়। দ্বিতীয় ধাপে, স্বেচ্ছাসেবকদের সংখ্যা অনেকটাই বাড়ে। সেখানে দেখা হয়, এই ভ্যাকসিনের কারণে নির্দিষ্ট রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা মানবশরীরে তৈরি হচ্ছে কি না।

এর পর আসে তৃতীয় ধাপ। এই ধাপে বিপুল সংখ্যক মানুষের ওপরে এই টিকা প্রয়োগ করা হয়। সেই পরীক্ষা সফল হলে তবেই তা বাজারজাত করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

বর্তমানে অক্সফোর্ডের তৈরি করোনার টিকাটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। আগামী মাসে মার্কিন সংস্থা মডার্নার টিকাটির তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরু হবে।

এ দিকে কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার কোনো উল্লেখই কোথাও করা নেই!

এই প্রসঙ্গেই একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, “১৫ আগস্টের মধ্যে প্রথম ধাপের পরীক্ষাই শেষ হবে না।” আরও চাঁচাছোলা ভাষায় তাঁর বক্তব্য, “আমার মনে হয়, ওঁরা ঠিক তারিখটাই (১৫ আগস্ট) বলেছে, কিন্তু বছরটা লিখতে ভুল করেছে। ওটা ২০২১ হবে।”

Continue Reading

দেশ

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

সৌধগুলিতে প্রবেশের জন্য প্রত্যেক দর্শনার্থীকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। প্রবেশ পথে থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা।

ওয়েবডেস্ক: প্রায় সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে তাজমহল। সূত্রের খবর, কোভিড-১৯ মহামারির (Covid-19 pandemic) মধ্যেই আগামী ৬ জুলাই থেকে ফের দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হতে পারে।

আগরার (Agra) পর্যটন শিল্পের বৃহত্তম অংশ নির্ভরশীল তাজমহলের (Taj Mahal) উপরেই। ফলে তা খুলে দেওয়া হলে এই শিল্পে নতুন করে প্রাণসঞ্চার হতে পারে।

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (ASI) একটি সূত্র জানাচ্ছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের যাবতীয় পদক্ষেপ বজায় রেখেই আনলক-২ পর্বেই তাজমহল খুলে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে।

কী ভাবে খোলা হবে?

দু’টি শিফটে খোলা হতে পারে তাজমহল। প্রত্যেক শিফটে সর্বাধিক পাঁচ হাজার এবং আড়াই হাজার করে দর্শনার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

একই ভাবে আগরা দুর্গেও সকালের শিফটে ১২০০ এবং দুপুরের শিফটে ১৩০০ দর্শনার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

সৌধগুলিতে প্রবেশের জন্য প্রত্যেক দর্শনার্থীকে অবশ্য়ই মাস্ক পরতে হবে। প্রবেশ পথে থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা। ভিতরের ঢোকার পরেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আপাতত হাতে-হাতে টিকিটের পরিবর্তে ই-টিকিটিং ব্যবস্থাকেই বেছে নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

বন্ধ হওয়ার আগে

গত ১৭ মার্চ থেকে দর্শনার্থীদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় তাজমহল।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে দর্শনার্থীর সংখ্যা হু হু করে কমতে শুরু করে। লকডাউনে ধর্মীয়, পর্যটনস্থানগুলি বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি দর্শনার্থীর সংখ্য়া হ্রাসও একটা বড়ো কারণ।

বিদেশি পর্যটকদের ভিসার উপর কড়াকড়ি শুরু হওয়ার পর তাঁরা আর আগের মতো ভিড় জমাতেন না।

বন্ধ হওয়ার সপ্তাহে সার্বিক দর্শনার্থীর সংখ্যায় উল্লেখ্য়নীয় পতন ঘটে। রবিবার ছুটির দিনে যেখানে ২৫ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হতো, সেখানে ওই সপ্তাহে দর্শনার্থীর সংখ্যা ঠেকে ১৩ হাজারে। অথচ শনিবার তা ছিল ১৫ হাজারের বেশি, বৃহস্পতিবার ১৬ হাজারের বেশি। অন্য দিকে রবিবার বিদেশি দর্শনার্থীদের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ে তিন হাজারের কম-বেশি থাকলেও ওই সপ্তাহে তা হয় মাত্র ১২০০।

এক দিকে মারণ ভাইরাস নিয়ে দর্শনার্থীদের মনে সংশয় এবং অন্য দিকে বেশ কিছু কড়াকড়ি দর্শনার্থী সংখ্য়ায় ভাটার সৃষ্টি করে।

পর্যটনে খুশির খবর

টানা কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর ফের তাজমহল খোলার খবর শুনে আগরা টুরিস্ট ওয়েলফেয়ার চেম্বারের প্রেসিডেন্ট প্রহ্লাদ আগরওয়াল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আগরা পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় চার লক্ষ মানুষ স্বস্তি পাবেন। আশা করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার পর পরিস্থিতি ধীরে হলেও আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে”।

অন্য দিকে টুরিজম গিল্ড অব আগরার চেয়ারম্যান হরি সুকুমার বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সারা বিশ্বকে ইতিবাচক বার্তা দেবে-আগরা পর্যটকদের জন্য নিরাপদ”।

Continue Reading

দেশ

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

নয়াদিল্লি: ফের ভূমিকম্প হল রাজধানী দিল্লিতে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ এই কম্পনের জেরে মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও এই কম্পনের ফলে কোনো হতাহতের খবর নেই।

শুক্রবার এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। কেন্দ্রস্থল ছিল হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে ৬৩ কিমি দূরে।

এপ্রিল থেকেই কম্পনের হিড়িক লেগেছে দিল্লি এবং তার আশেপাশের এলাকায়। সব কম্পনই ২ থেকে সাড়ে চার মাত্রার মধ্যে হয়েছে। এই কম্পনের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে আগামী দিনে আরও বড়ো কোনো কম্পন হবে কি না।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ছোটো কম্পনগুলো আসন্ন বড়ো কোনো কম্পনের ইঙ্গিত আদৌ দেয় না।

অন্যত্রও কম্পন

শুক্রবার ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ভূমিকম্প হয়েছে। এ দিন সকালে মিজোরামের চাম্ফাইয়ে ৪.৫ মাত্রার একটি কম্পন হয়। এর পর ৪.৪ মাত্রার একটি কম্পন হয় কার্গিলে। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও এ দিন ৫.২ মাত্রার একটি কম্পন হয়। উৎসস্থল ছিল পুনে থেকে ২২৫ কিমি দূরে বারশিতে।

Continue Reading
Advertisement
শিল্প-বাণিজ্য20 mins ago

ভারত অ্যাপ নিষিদ্ধ করতেই চিনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছে টিকটক

রাজ্য23 mins ago

করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় কলকাতাকে পেছনে ফেলে দিল হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু

দেশ1 hour ago

“১৫ আগস্টেই বাজারে আসবে, তবে ২০২১-এ,” কোভ্যাক্সিন নিয়ে সরকারি সময়সীমার তীব্র নিন্দা বিশেষজ্ঞদের

বিনোদন13 hours ago

‘সড়ক ২’ পোস্টার: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে মহেশ ভাট, আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধে মামলা

রাজ্য14 hours ago

রেকর্ড সংখ্যক পরীক্ষার দিন আক্রান্তের সংখ্যাতেও নতুন রেকর্ড, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতার হারও

দেশ14 hours ago

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

wfh
ঘরদোর15 hours ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

দেশ15 hours ago

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

দেশ1 day ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২০,৯০৩, সুস্থ ২০,০৩২

ক্রিকেট3 days ago

আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন শশাঙ্ক মনোহর, এ বার কি সৌরভ?

বিজ্ঞান3 days ago

কোভাক্সিন কী? জেনে নিন বিস্তারিত

ক্রিকেট3 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: ফাইনালে খেলা ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদ শ্রীলঙ্কা পুলিশের

দেশ3 days ago

করোনিল বিক্রিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, সারা দেশেই পাওয়া যাবে: রামদেব

দেশ1 day ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

ক্রিকেট2 days ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

শিল্প-বাণিজ্য3 days ago

পিপিএফ, এনএসসি-সহ অন্যান্য ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার অপরিবর্তিত

নজরে