গুয়াহাটি: ভয়াবহ বন্যায় পুরো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্য অসম ও মেঘালয়। ফুঁসছে ব্রহ্মপুত্র। অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড় ধসে বিপর্যস্ত জনজীবন। দুই রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৬২ জনের। ১০ হাজার মানুষকে অন্যত্র সরানো হয়েছে।

সব থেকে চিন্তার বিষয় হল যে অসম ও মেঘালয়ে বৃষ্টি থামার নাম নেই। আগামী দু’দিন আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। জারি হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা। ব্রহ্মপুত্রের জলে কাজিরাঙা অভয়ারণ্যের অন্তত ১৫ ভাগ ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে জলে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে একটি চিতাবাঘ-সহ পাঁচটি বন্য জন্তুর। ব্রহ্মপুত্রের জল ঢুকতে শুরু করেছে গুয়াহাটিতেও।

সরকারি সূত্রের খবর, বন্যায় এখনও পর্যন্ত ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘরছাড়া হয়েছেন অন্তত ১০ হাজার মানুষ। সব মিলিয়ে বন্যা সরাসরি প্রভাব ফেলেছে অসমের ৪২ লক্ষ মানুষের জীবনে। অসমের ৩৫টি জেলার মধ্যে ৩৩টি জেলাতেই বন্যা পরিস্থিতি। অন্তত পাঁচ হাজার গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে গিয়েছে। রাজ্যের ৭৪৪টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।

একই অবস্থায় মেঘালয়েও। ধস নেমে দুটি জাতীয় সড়কই সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ। বৃষ্টির তেজ না কমলে সড়ক সাফ করা কার্যত অসম্ভব। তার উপর আছে আবারও ধস নামার আশঙ্কা। আগামী দু’দিন বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ত্রিপুরাতেও বন্যায় ১০ হাজার মানুষ ঘরছাড়া বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে বন্যায় ভাসছে পুরো উত্তর-পূর্ব।

তবে স্বস্তির খবর হল যে সোমবারের পর থেকে গোটা উত্তরপূর্বেই বৃষ্টির দাপট কমবে।

আরও পড়তে পারেন:

‘অগ্নিপথ’-এর বিরোধিতায় আজ দেশ জুড়ে বন্‌ধ, পশ্চিমবঙ্গকে সচল রাখতে নির্দেশ নবান্নের

‘অগ্নিবীর’রা বিজেপি অফিসে নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি পেতে পারে! কৈলাস বিজয়বর্গীয়র মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বাছতে শরদ পওয়ারের ডাকা বৈঠকে যাচ্ছেন না মমতা, যোগ দিচ্ছেন অভিষেক

‘অগ্নিপথ’ প্রত্যাহারের কোনো প্রশ্ন নেই, প্রকল্পের ব্যাখ্যা করে জানিয়ে দিল সেনা

অনুগামীদের চুপচাপ বসে যাওয়ার বার্তা, বঙ্গ-বিজেপিতে বিদ্রোহের আবহে দুধকুমারের পাশে অনুপম

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন