Farmers

ওয়েবডেস্ক: কৃষিকাজে ব্যর্থ হয়ে গত মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ৬৩৯ জন কৃষক। এক দিকে ঋণের চাপ অন্য দিকে ব্যাঙ্কের টাকা পরিশোধের দুশ্চিন্তায় গ্রাস হওয়া ওই ৬৩৯ জন কৃষকই মহারাষ্ট্রের।

শনিবার নাগপুরে বিধান পরিষদে বিরোধী দলনেতা ধনঞ্জয় মুণ্ডে এবং এনসিপি সদস্য সুনীল তাতকরে, অমরীশ পণ্ডিত, কিরণ পাওয়াসকর, নরেন্দ্র পাতিল ও হেমন্ত টাকলে-সহ অন্যান্যদের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন মহারাষ্ট্রের রাজস্ব, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী চন্দ্রকান্ত পাতিল।

ধনঞ্জয় জানিয়েছেন, গত ১ মার্চ থেকে ৩১ মে সময়কালে এই ৬৩৯ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। ১৮৮ জন সরকারি ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য হিসাবে বিবেচিত হয়েছিলেন। ফসলহানির জন্য এঁরা সরকারি প্রকল্পে ওই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য ছিলেন। এই ১৮৮ জনের মধ্যে ১৭৪ জনের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ১২২ জন কৃষক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। এ ছাড়া ৩৩৯টি ঘটনা এখনও প্রমাণ সাপেক্ষ।

উল্লেখ্য, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সরকারের কাছে জানতে চায় গত তিন মাসে রাজ্যে কত জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তাঁদের পরিবারকে কতটা সাহায্য করা হয়েছে। যাঁদের পরিবার এখনও কোনো রকমের সরকারি সহযোগিতা পাননি, তাঁদের দ্রুত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও তুলেছিলেন তাঁরা।

মুণ্ডে অভিযোগ করেছেন, সরকার ঋণ মুকুব, শস্যের জন্য অনুদান বা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদানের যে প্রতিশ্রুতি এত দিন ধরে দিয়ে আসছে, তা আদতে কার্যকরী হয়নি। যার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত এই বিপুল সংখ্যক কৃষকের আত্মহত্যা। তিনি দাবি করেন, মাত্র চার বছরে ১৩ হাজার কৃষক এ ভাবেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। সরকারি উদাসীনতার শিকার হয়ে গত এক বছরে মহারাষ্ট্রে আত্মহত্যা করেছেন প্রায় দেড় হাজার কৃষক।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here