arvind kejriwal delhi

গুয়াহাটি : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করেছিলেন। সোমবার সেই অপরাধে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হল। কারবি আংলং জেলার বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট নবকুমার ডেকা বড়ুয়া আপ নেতার বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেন। এটি জামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা।

১৫ ডিসেম্বর কেজরিওয়াল টুইটে দাবি করেন, “মোদীজি ১২পাশ হ্যাঁয়। উসকে বাদ কি ডিগ্রি ফর্জি হ্যায়।” অর্থাৎ মোদী ১২ ক্লাস পাশ। এর পরের ডিগ্রি সব নকল।

তারও আগে কেজরিওয়াল দাবি করেছিলেন, এর আগে মোদী বলেছিলেন তিনি কখনও কলেজে যাননি। পরে করেসপনডেন্স ডিগ্রি কোর্সের সার্টিফিকেট দেখান। কিন্তু সেটাই নকল। এটা যদি আসল হয় তা হলে দেখাতে অসুবিধে কোথায়। কেজরিওয়ালের আবেদনে সাড়া দিয়ে ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে চিফ ইনফর্মেশন কমিশনার গুজরাত আর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়কে মোদীর যাবতীয় ডিগ্রির নথি কেজরিবালকে দেখানোর নির্দেশ দেন।  

এর কিছু দিন পরে কারবি আংলং স্বশাসিত পরিষদের সদস্য বিজেপি নেতা সূর্য রঙফার কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য করেছেন।

কেজরিওয়াল দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত সার্টিফিকেট জনতার সামনে আনুন। মোদী শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মিথ্যা কথা বলেছেন। পাশাপাশি কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও মোদীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহ একটি টুইটে বলেন, দেশের মানুষের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে জানার কি কোনো অধিকার নেই? এতে এত রাখঢাকের কী আছে? নিশ্চয় তিনি দেশবাসীকে মিথ্যে কথা বলেছেন। তিনি বহু সময় মিথ্যে বলেছেন। আরও একবার বললে তাতে কিছু আসে যায় না।

  

 

অন্য দিকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ৮ মে আদালতে এই মামলার শুনানি হবে।   

প্রসঙ্গত, অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এর আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আরও একটি মানহানির মামলা করেন।  

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here