ষষ্ঠ দফার ভোটে ভাগ্য নির্ধারণ হবে যে সব তারকা প্রার্থীর

0
Voter ID Card
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: বাকি পাঁচটা দফার মতো ভোটষষ্ঠীতেও ভাগ্য নির্ধারিত হতে চলেছে একাধিক তারকা প্রার্থীর। এক ঝলক দেখে নেওয়া যায় এই সব তারকা প্রার্থীকে।

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া (গুনা, মধ্যপ্রদেশ)

সিন্ধিয়া পরিবারের একচেটিয়া আধিপত্য এই কেন্দ্রে। রাজ্যে যখন বিজেপির আধিপত্য তখনও এই কেন্দ্র থেকে জিতেছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। ২০০২ সাল থেকে এই কেন্দ্র তাঁকে সাংসদ নির্বাচিত করে আসছে। গত বার বিজেপি প্রার্থীকে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ভোটে হারিয়েছিলেন তিনি।

দিগ্বিজয় সিং (ভোপাল, মধ্যপ্রদেশ)

এ বার ভোটে অন্যতম চর্চার কেন্দ্রটি হচ্ছে ভোপাল। ১৯৮৯ থেকে এখানে একচেটিয়া আধিপত্য বিজেপির। সেই কেন্দ্রে নিজেদের ভাগ্য ফেরাতে এক হেভিওয়েটের ওপরেই ভরসা রেখেছে কংগ্রেস। যদিও বহিরাগত তকমা থাকায় কিছুটা ধাক্কা খেতে পারেন তিনি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্ত সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর।

সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর (ভোপাল, মধ্যপ্রদেশ)

দিগ্বিজয় সিংয়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো প্রার্থী আদতে মালেগাঁও বিস্ফোরণে অভিযুক্ত। তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি যে চূড়ান্ত হিন্দুত্বের তাস খেলতে চাইছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই কেন্দ্রটি ১৯৮৯ সাল থেকে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পরে রাজ্যে পট পরিবর্তন এবং হেমন্ত করকরেকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ঠাকুরের বিরুদ্ধে যেতে পারে।

মানেকা গান্ধী (সুলতানপুর, উত্তরপ্রদেশ)

নিজের খাসতালুক পিলিভিট থেকে সুলতানপুরে নিয়ে আসা হয়েছে বিজেপির মানেকা গান্ধীকে। এই কেন্দ্রে কখনও একটি দলের কাছে আধিপত্যের হয়ে ওঠেনি। গত বারের ভোটে সপা-বসপার যৌথ ভোট ভাগ ছিল বিজেপির প্রাপ্ত ভোট ভাগের থেকে ৬ শতাংশ বেশি।

অখিলেশ যাদব (আজমগঢ়, উত্তরপ্রদেশ)

১৯৮৯ থেকে এই কেন্দ্রে কখনও জেতেনি বিজেপি। সপা এবং বসপার মধ্যেই এই কেন্দ্রের হাত পরিবর্তন হয়েছে। এই কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ মুলায়ম সিং যাদবের বদলে সপা প্রার্থী করেছে তাদের বর্তমান প্রধান অখিলেশ যাদবকে। কংগ্রেস কোনো প্রার্থী না দেওয়ায় এই কেন্দ্রে লড়াই দ্বিমুখী। অখিলেশের জয়ের সম্ভাবনা যথেষ্ট উজ্জ্বল।

শীলা দীক্ষিত (উত্তরপূর্ব দিল্লি)

দিল্লির তিন বারের মুখ্যমন্ত্রী এ বার এই কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন। যদিও শেষ বার লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা তাঁর সুখকর ছিল না। ১৯৯৮ সালের সেই নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। এই কেন্দ্রটিতে উল্লেখযোগ্য মুসলিম এবং দলিত ভোটার রয়েছে। কিন্তু বিজেপি বিরোধী ভোট আপ এবং কংগ্রেসের মধ্যে ভাগ হয়ে যাওয়াই এখন বড়ো চিন্তার। গত বারের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস এবং আপের যৌথ ভোট ভাগ ছিল বিজেপির থেকে ৫ শতাংশ বেশি।

গৌতম গম্ভীর (পূর্ব দিল্লি)

গত কয়েক দিন ধরে হওয়া বিভিন্ন ঘটনাবলি এই কেন্দ্রকে হেভিওয়েট কেন্দ্র করে দিয়েছে। ত্রিমুখী লড়াইয়ে বিজেপি, কংগ্রেস এবং আপ প্রার্থীরাই এ বার প্রথম লোকসভা ভোটে লড়ছেন। ভোটের দু’দিন আগে চূড়ান্ত বিতর্ক হয়েছে বিজেপির গৌতম গম্ভীরকে নিয়ে। তাঁর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত নারীবিদ্বেষী মন্তব্যের অভিযোগ করেছেন আপ প্রার্থী অতিশী মেরলেনা। যদিও সেই সব অভিযোগই খারিজ করেন গম্ভীর। এখানেই আপ-কংগ্রেস ভোট ভাগ হওয়া বিজেপির পক্ষে যেতে পারে।

কীর্তি আজাদ (ধানবাদ, ঝাড়খণ্ড)

সদ্য বিজেপি থেকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া কীর্তি আজাদ, বিজেপির শক্তঘাঁটি এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২০০৪ সালে শেষ বার এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিল কংগ্রেস।

(ষষ্ঠ দফার ভোটের যাবতীয় লাইভ আপডেট দেখতে ক্লিক করুন এখানে)

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.