নয়াদিল্লি : ২০০৭ সালের অজমের শরিফ দরগায় বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী অসীমানন্দকে বেকসুর খালাস করে দিল বিশেষ এনআইএ আদালত। বুধবার আরও ছ’ জনকে বেকসুর খালাস বলে ঘোষণা করল আদালত। মোট অভিযুক্ত ১৩ জনের মধ্যে ৩ জন পলাতক। বাকি ৩ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। এদের মধ্যে সুনীল জোশি ২০০৭-এর ডিসেম্বর খুন হয়। বাকি দু’ জন দেবেন্দ্র কুমার ও ভবেশ পটেলকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত তাদের ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। ১৬ মার্চ তাদের বাকি সাজা শোনাবে আদালত। উল্লেখ্য, অসীমানন্দ এখন অম্বালা সেন্ট্রাল জেলে বন্দি।

২০০৭ সালের ১১ অক্টোবর। চলছে রমজান মাস। হঠাৎ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে সুফিদের খোয়াজা মইনউদ্দিন চিস্তির দরগা। এই বিস্ফোরণে তিন জন নিহত আর ১৭ জন আহত হন। ঘটনাটি নিয়ে তদন্তের ভার ছিল প্রথমে রাজস্থানের অ্যান্টি টেরোরিস্ট স্কোয়াডের হাতে। পরে তা ন্যাশনাল ইনভেসস্টিগেশন এজেন্সির কাছে যায়। ঘটনার সাক্ষী ছিলেন ১৪৯ জন। বিস্ফোরণের ঘটনাটি নিয়ে ৪৫১টি নথি পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়েছে। এনআইএ তিনটি চার্জশিট দাখিল করে। 

azmir-blast

প্রসঙ্গত, ২০১৪-র ফেওব্রুয়ারি মাসে ‘দ্য ক্যারাভান’ পত্রিকায় অসীমানন্দের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়। ওই সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, অসীমানন্দকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সাধারণ সম্পাদক মোহন ভাগবত বলেন, বিস্ফোরণের সঙ্গে সংঘকে জড়ানো উচিত নয়। অসীমানন্দ ‘দ্য ক্যারাভান’কে বলেন, ভাগবত হিংসার কথা বলেন। বলেন, “এটা ঘটানো খুব দরকার। কিন্তু সংঘের সঙ্গে একে জড়ানো উচিত নয়”। বুধবার ওই পত্রিকার তরফে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। তবে সংঘের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করে সাক্ষাৎকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আরএসএস-এর প্রচার বিভাগের প্রধান মনমোহন বৈদ্য বলেন, “গাঁজাখুরি, বানানো সাক্ষাৎকার।”

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here