swathi reddy

ওয়েবডেস্ক: একে কী বলা যাবে, বিবাহ-বহির্ভূত প্রেমের মর্মান্তিক পরিণতি। না কি অপরাধের পাঠক্রমে আর এক নতুন অধ্যায়ের সংযোজন!

স্বাতী, এক বিবাহিত মহিলা। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা ছিল না বেশ কিছু দিন ধরেই। কারণ ওই বিবাহ-বহির্ভূত প্রেম। স্ত্রীর এই নতুন সম্পর্কের কথা জানতে পেরে প্রতিবাদ করেন স্বামী সুধাকর। কিন্তু কিছু একটা ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই স্ত্রীর হাতে খুন হতে হয় তাঁকে।

এরপর প্রেমিক রাজেশ, যার সঙ্গে নতুন করে জীবন শুরু করার স্বপ্ন নিয়ে এই খুন, তাকেও হতে হল চরম আঘাতের শিকার। যে রাজেশ একদিন স্বাতীকে নিয়ে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিল দু’চোখে, সেটাও হারাতে হল তাকে। কতটা নির্দয় বা নির্মম হলে এ কাজ করা যায় তা বলা কঠিন, কারণ ওই রাজেশকে নিয়েই সংসার পাতার উদ্দেশে নিজে হাতে তার মুখে অ্যাসিড ঢেলে দিল স্বাতী। এবার অ্যাসিডে পুড়ে যাওয়া ওই মুখে হল প্লাস্টিক সার্জারি। যাতে সুধাকরের পরিবারের লোকজন রাজেশকেই নিজেদের ছেলে ভেবে নেয়।

প্রথমে দুর্ঘটনায় মুখে বিকৃতি হয়েছে ধরে নেওয়া সুধাকরের পরিবার পরে ছেলের আচার-ব্যবহারে চমকিত হয়। তাদের ছেলের অভ্যেসের সঙ্গে এর যে তফাত অগাধ। এমনকী সুধাকরের বন্ধুদের কাছেও একেবারে আনকোরা ঠেকে রাজেশের হাবভাব। স্বাভাবিক ভাবে সংশয়ে ভুগতে থাকা সুধাকরের পরিবার থানায় অভিযোগ জানায়। কিন্তু ফিল্মি ঢংয়ে সংগঠিত এই অপরাধের সত্যতা প্রমাণে পুলিশও বিপাকে পড়ে যায়। স্ত্রী জোর গলায় বলছে, ‘এটাই আমার স্বামী।‘ আর পরিবারের লোক বলছে, ‘এ আমাদের ছেলে নয়’-এমন একটা সাংঘাতিক নাটকীয়তার সম্মুখীন হয়ে পুলিশ সাহায্য নেয় আধার কার্ডের।

যা হওয়ার ছিল, হল তাই। রাজেশের আঙুলের ছাপ কোনও কিছুতেই মিলল না সুধাকরের আধার কার্ডের সঙ্গে। উল্টে প্রকাশ্যে চলে এল রাজেশের সঠিক পরিচয়। ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার নগরকুরনুল জেলায়। স্বাতী রেড্ডি এবং রাজেশ বর্তমানে পুলিশি হেপাজতে রয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here