marrige

ওয়েবডেস্ক: বিবাহ নিবন্ধীকরণ বা ম্যারেজ রেজিস্ট্রি বাধ্যতামূলক ঘোষণা করার পর বছরখানেক আগে পাত্র-পাত্রীর আধার নম্বর বাধ্যতা মূলক করার কথা নিয়ে চিন্তা ভাবনা চলছিল। কিন্তু ভারতবাসীর মনে-কানে সব সময় ঘুরঘুর করা আধার তৈরি করেছে অমূলক অপপ্রচার। তবে সুপ্রিম কোর্টে সম্প্রতি আধার নম্বর সংযুক্তিতে বেঁধে দেওয়া ৩১ মার্চের সময়সীমা প্রত্যাহার করার পর নির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারি করল তামিলনাড়ু প্রশাসন।

গত বুধবার তামিলনাড়ু সরকারের বিবাহ নিবন্ধীকরণ অফিস থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিবাহ নথিভুক্তিতে আধার নম্বর বাধ্যতা মূলক নয়। আইন কমিশন এ বিষয়ে সরকারি অনুমোদন পাওয়ার ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু করতেই জটিলতার শুরু হয়েছিল। বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাব-রেজিস্টাররা সঠিক নিয়মের বাইরে গিয়েই পাত্র-পাত্রী বা তাঁদের পরিবারের কাছে আধার নম্বর দাবি করছিলেন। কিন্তু তামিলনাড়ু সরকারের ওই নির্দেশিকায় পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেওয়া হল, বাসস্থান, বয়স, ছবি বা অন্যান্য বিষয়ের প্রামাণ্য হিসাবে আধার ব্যবহার করা যেতেই পারে। যে ভাবে ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড বা অন্যান্য সরকারি পরিচয়পত্রকে নথি হিসাবে ব্যবহার করা হয় সে ভাবেই আধারকেও একই দৃষ্টিতে দেখা হবে। ফলে এখনই বিবাহ নিবন্ধীকরণে আ্ধার কার্ড বাধ্যতা মূলক করা হচ্ছে না। কারণ এই বিষয়টি নিয়ে আইন কমিশন চিন্তাভাবনা করলেও সরকারি ভাবে কোনো স্থির সিদ্ধান্ত এখনও পর্যন্ত গৃহীত হয়নি।

উল্লেখ্য, আইন কমিশন প্রস্তাব রেখেছে, বিবাহ নিবন্ধীকরণে আধার বাধ্যতা মূলক করলে কারচুপি রদ করা যাবে। একাধিক বিবাহ থেকে শুরু করে বাল্য বিবাহ- সমস্ত ক্ষেত্রেই জালিয়াতি ধরা পড়ে যাবে আধার নম্বরের দৌলতে। এমনিতে বিবাহ নথিভুক্তিকরণ বাধ্যতা মূলক হলেও আধার ব্যবহারে তথ্য খুঁজে পাওয়া অনেকটাই সুবিধাজনক বলে মনে করে আইন কমিশন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here