Connect with us

দেশ

এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহেই ভারতে আসতে পারে অ্যাবটের তৈরি করোনাভাইরাস টেস্ট কিট

ওয়েবডেস্ক: মাত্র পাঁচ মিনিটে করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমণের পরীক্ষার রিপোর্ট দিতে পারে আমেরিকার অ্যাবট ল্যাবের তৈরি টেস্ট কিট। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে সেই অভিনব পরীক্ষা সরঞ্জাম ভারতে এসে পৌঁছাতে পারে বলে সূত্রের খবর।

অ্যাবটের ওই টেস্ট কিটে করোনা নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজন শুধু এক ফোঁটা রক্তের। সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, কিটের ব্যাচ স্যাম্পেল ইতিমধ্যে ভারতে পাঠানো হয়েছে। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এ ওই স্যাম্পেল জমা করা হয়েছে। প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে সময় লাগবে দিন দশেক।

এরই মধ্যে আগাম জানা গিয়েছে, অ্যাবটের তৈরি টেস্ট কিটে পরীক্ষা করতে খরচ পড়তে পারে ৫০০-১০০০ টাকা। যদিও সরকারি এবং বেসরকারি ল্যাবগুলিতেই এই কিটে পরীক্ষা করা যাবে। কিন্তু সরাসরি ক্রেতার হাতে তুলে দিতে খুচরো বাজারে বিক্রি করা হবে না। তবে এ মুহূর্তে একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ হল বিশ্ববাজারে টেস্ট কিটের চাহিদা। যদিও অগ্রাধিকারের দিক থেকে এটি ভারতে সহজলভ্য হতে পারে বলে সূত্রগুলি জানিয়েছে।

অ্যাবটের তৈরি সামগ্রীগুলির তালিকায় অন্যতম এই কোভিড-১৯ (COVID-19) ডায়াগনস্টিক কিট। সংস্থাটি কোভিড-১৯-এর পরীক্ষার জন্য তাদের পোর্টেবল পয়েন্ট-অব-কেয়ার কিটটিতে সম্প্রতি ইউএসএফডিএর জরুরি অনুমোদন পেয়েছে।

সংস্থা এর আগেই দাবি করেছে, অ্যাবটের তৈরি সামগ্রীগুলির তালিকায় অন্যতম কোভিড-১৯ (COVID-19) ডায়াগনস্টিক কিট। সংস্থাটি COVID-19-র পরীক্ষার জন্য তাদের পোর্টেবল পয়েন্ট-অব-কেয়ার কিটটিতে সম্প্রতি ইউএসএফডিএর জরুরি অনুমোদন পেয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন এখানে: মাত্র ৫ মিনিটেই হাতে মিলবে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফলাফল!

তবে এ ধরনের টেস্ট কিটের জন্য শুধু যে অ্যাবট ভারতে প্রবেশের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, তেমন নয়। একটি সূত্র জানাচ্ছে, চিনা সংস্থা ঝুহাই লিভজানের র‍্যাপিড টেস্টিং কিট সে দেশের ডিসিজিআই এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি থেকে অনুমোদন পেয়েছে। একই সঙ্গে ইউএসএফডিএর অনুমোদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতে সরবরাহ শুরু করার পরিকল্পনা করছে।

দেশ

গুজরাতের কারখানায় বিস্ফোরণ থেকে আগুন, মৃত ৮, জখম ৪০

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে গুজরাতের (Gujarat) দহেজে (Dahej) একটি রাসায়নিক কারখানায় (chemical plant) বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে আট জন শ্রমিক প্রাণ হারান এবং অন্তত পক্ষে ৪০ জন আহত হন। গোটা কারখানা আগুনে ঢেকে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দমকলের ১০টি ইঞ্জিন কাজে লাগানো হয়।

কারখানার আশেপাশের দু’টি গ্রামের অধিবাসীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাসায়নিক থেকে সৃষ্ট আগুনের ধোঁয়া বিষাক্ত বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।

পুলিশ ইনসপেক্টর বিপুল গগিয়া সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, “রাসায়নিক কারখানায় বয়লার ফেটে (boiler blast) ৮ জন মারা গিয়েছেন।”

কারখানাটি একটি খোলামেলা জায়গায় অবস্থিত। বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে গোটা জায়গাটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

ভারুচের কালেক্টর এমডি মদিয়া বলেন, “একটি অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল বয়লার বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে যায়। গোটা কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ৩৫-৪০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হন। এঁদের ভারুচের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।”

এই কারখানার মালিক যশস্বী রসায়ন প্রাইভেট লিমিটেড (Yashashvi Rasayan Pvt Ltd)। এখানে শিল্পে ব্যবহারযোগ্য ১৫টি রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এলজি পলিমার্স ইন্ডিয়ার একটি কারখানা থেকে রাসায়নিক লিক করে ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জন অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়। আরও হাজারের বেশি লোক অল্পবিস্তর অসুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি। করোনাভাইরাস লকডাউনের জেরে ওই কারখানাটি বন্ধ ছিল।  

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লি ও তার আশেপাশে ফের ভূমিকম্প

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আবার ভূমিকম্প (earthquake) দিল্লি (Delhi) ও তার আশেপাশে। রিখটার স্কেলের (Richter Scale) মাত্রায় এই ভূমিকম্প খুব বেশি না হলেও, পর পর কম্পনে ওই অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। এ দিনের ভূমিকম্পে অবশ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার রাত ১০.৪২ মিনিটে দিল্লি, নয়ডা এবং তার আশেপাশে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.২।

আরও পড়ুন: রাত্রে ভূমিকম্প দিল্লি ও তার আশেপাশে, উৎসস্থল রোহতক

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (NCS) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল নয়ডার ১৯ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার একটি জায়গায়। ভূপৃষ্ঠের ৪ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে রাতে ৪.৬ ও ২,৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল রোহতকে। যার ফলে দিল্লি ও তার আশেপাশের এলাকা কিছুক্ষণ সময়ের তফাতে দু’ বার কেঁপে উঠেছিল।

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লিতে পৌঁছোলেই সাত দিনের জন্য বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ট্রেন, বিমান বা বাস – যিনি যে ভাবেই দিল্লি (Delhi) পৌঁছোন না কেন, তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাত দিন হোম কোয়ারান্টাইনে (home quarantine) থাকতে হবে। দিল্লি সরকার তাদের আগের নির্দেশিকা সংশোধন করে এ কথা জানিয়েছে।

আগে বলা হয়েছিল, কাউকে কোনো কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। নতুন নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আগে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কেউ বাইরে থেকে দিল্লিতে এলে তাঁকে ১৪ দিন নিজেকে নজরে রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ডিসট্রিক্ট সার্ভেইল্যান্স অফিসার বা ন্যাশনাল কল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

গত সপ্তাহ থেকে দিল্লিতে কিছু কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশ বেড়েছে। তাই নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে।

এখন দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ২৩৬৪৫। গত সাত দিন ধরে গড়ে দৈনিক ১২০০ মতো মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এখনও কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা প্রচুর। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ছাড়া অন্য সব কাজের জন্য সীমানা সিল করে দিয়েছে দিল্লি।

পড়তে থাকুন

নজরে