Connect with us

দেশ

এল নতুন মেডিক্যাল রিপোর্ট, তাবরেজ আনসারি গণপিটুনি মামলায় নয়া মোড়

ওয়েবডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের গণপিটুনির শিকার হওয়া তাবরেজ আনসারির মামলায় নতুন মোড়। তাঁকে গণপিটুনিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুনরায় খুনের ধারা রজু করল পুলিশ। আট দিন আগেই তাদের রেহাই দিয়েছিল পুলিশ। কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলেছিল তাবরেজের মৃত্যু মারে নয়, হয়েছে হৃদরোগে।

তাবরেজের মৃত্যু নিয়ে নতুন করে একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট এসেছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে বুধবার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নতুন করে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন বাইক চুরির অভিযোগে ঝাড়খণ্ডের সরাইকেলায় তাবরেজ আনসারিকে নৃশংস ভাবে গণধোলাই দেওয়া হয়েছিল। মারধরের সময় তাঁকে দিয়ে জোর করে ‘জয় শ্রীরাম’ ও ‘জয় হনুমান’ও বলানো হয়। নেটদুনিয়ায় সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হলে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। পুলিশ তাঁকে সদর হাসপাতালে ভরতি করালে ২২ জুন সেখানেই মারা যান তাবরেজ।

আরও পড়ুন বিজ্ঞানীদের কথা শুনুন, সত্যি কিছু ব্যবস্থা নিন: মার্কিন কংগ্রেসে গ্রেটা থুনবার্গ

কিন্তু ময়নয়াতদন্তের রিপোর্টে জানা যায় খুন নয়, তাবরেজের মৃত্যু হয়েছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। ফলে এই ঘটনায় ধৃত মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে খুনের ধারা প্রত্যাহার করে নেয় পুলিশ।

জুলাইয়ের শেষে প্রথম ময়নাতদন্ত রিপোর্টে জানা যায় যে তাবরেজের মৃত্যু হয়েছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। এই রিপোর্টে সন্দেহ হয় পুলিশ প্রশাসনের। যে কারণে তাবরেজের মৃত্যুতে আরও একটি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানেও একই কারণ জানা যায়। এক পুলিশ আধিকারিক তখন জানান, রিপোর্টে যেমন ফলাফল আসবে, সেই অনুযায়ীই তাঁদের এগোতে হবে।

এর পর আরও একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট চাওয়া হয় তাবরেজ মামলায়। নতুন এই রিপোর্টে অবশ্য খুনের উল্লেখ রয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে খুনের ধারা দিল পুলিশ।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দেশ

করোনায় স্বস্তির খবর, ১.১৩ থেকে আর নম্বর কমে এখন ১.১১

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় পর্যায়ের আনলকে (Unlock 2) এখন রোজ রোজ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে রোগী বৃদ্ধির হার এখন আগের থেকে অনেকটাই কম। এরই মধ্যে আশা এবং স্বস্তির খবর শোনালেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতে করোনার ‘এফেক্টটিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর’ (Effective Reproduction Number) তথা ‘আর নম্বর’ এখন কমে এসেছে ১.১১-এ।

এমনই জানিয়েছন চেন্নাইয়ের ইন্সটিটিউট অব ম্যাথামেটিকাল সায়ান্সেসের (আইএমএস) গবেষক অধ্যাপক সীতভ্র সিনহা জানিয়েছেন, এই ‘আর নম্বর’ (R Number) যদি এমনই থাকে তা হলে ২৯ জুলাই ভারতে করোনায় (Coronavirus) চার লক্ষ সক্রিয় রোগী থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, জুনের শেষ সপ্তাহে এই আর নম্বর ১.১৩ হয়েছিল। তার পর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সেটা বেড়ে ১.১৯ হয়ে যায়। আবার সেটা বেশ কিছুটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক সিনহা।

এই আর নম্বরটি আদতে কী?

এটি হল সংক্রমণের হার মাপার একটি গাণিতিক হিসেব। এক জন করোনা রোগী কত জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করছেন আর সেই সংখ্যার হিসেবে হার কতটা বাড়ছে, সেটাই হিসেব হয় এই নম্বরটি দিয়ে।

এই আর নম্বরটি তিনটে ফ্যাক্টরের ওপরে নির্ভর করে। প্রথমত, এক জন করোনা পজিটিভ রোগীর মধ্যে দিয়ে অন্য জনে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কতটা, দ্বিতীয়ত, আক্রান্ত ও সংক্রমণের সন্দেহে থাকা ব্যক্তিরা কত জনের সংস্পর্শে আসছেন তার গড় হিসেব, তৃতীয়ত, এক জনের থেকে সংক্রমণ কত জনের মধ্যে এবং কত দিনে ছড়াচ্ছে তার গড় হিসেব।

সিনহা জানাচ্ছেন গত এপ্রিলে এই আর নম্বর ছিল ১.৮৩।

উল্লেখ্য, এপ্রিলে ভারতে করোনা রোগীর বৃদ্ধির হার ১৫ থেকে কুড়ি শতাংশের মধ্যে ছিল। কিন্তু এখন তা ৩ শতাংশের আশেপাশে নেমে এসেছে। রোগীবৃদ্ধির হার কমাই, এই আর নম্বর কমে যাওয়ার প্রমাণ।

বিশেষজ্ঞরা আগেও বলেছেন, চিন, ইতালি, আমেরিকায় এই আর নম্বর ছিল ২ থেকে ৩-এর মধ্যে। সে কারণে ওই সব দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে অতি দ্রুত। তুলনায় ভারতে সংক্রমণ ছড়ানোর গতি অনেকটাই কম।

এই আর নম্বর ১-এর নীচে চলে এলেই করোনার ওপর নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে। কারণ সেটা হলে একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে একজন সুস্থ ব্যক্তির সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

তবে আর সতর্কতা অবলম্বন না করলে আর নম্বর যে ফের বাড়তে পারে, সে ব্যাপারেও সতর্ক করে দিয়েছেন সিনহা।

Continue Reading

দেশ

মন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি পদ থেকে অপসারিত সচিন পায়লট

খবরঅনলাইন ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত রাজস্থানের (Rajasthan) উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল সচিন পায়লটকে (Sachin Pilot)। একই সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে।

সচিনের পাশাপাশি আরও দুই মন্ত্রীকে রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন বিশ্বেন্দ্র সিংহ ও রমেশ মিনা। এই তিন মন্ত্রীকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্যপাল কলরাজ মিশ্রকে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত (Ashok Gehlot)।

সচিন পায়লটের জায়গায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করা হয়েছে গোবিন্দ সিংহ দোতাসরাকে।

মঙ্গলবার সকালে জয়পুরে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের যে দ্বিতীয় সভা বসে তাতেও গরহাজির থাকেন সচিন পায়লট ও তাঁর অনুগামীরা। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত হয়।

সচিনের প্রতিক্রিয়া

শেষ কয়েক দিন ধরেই সচিন এবং অশোক শিবিরের দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করে। বিশেষত, গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌতের সংবাদিক বৈঠকের পর দল ভাঙানোর অভিযোগ নিয়ে বিশেষ তদন্তের ঘটনা অন্য মাত্রা যোগ করে। গত রবিবার নিজের অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে সচিনের দিল্লির যাওয়ার ঘটনায় তাঁর দল ছাড়ার ইঙ্গিত আরও জোরালো হয়।

এ দিন কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সচিন টুইটারে লিখেছেন, “সত্যকে হয়রানি করা যায়, তবে হারিয়ে দেওয়া যায় না”।

বিধানসভায় কংগ্রেসের বর্তমান অবস্থান

২০০ সদস্যের রাজস্থান বিধানসভায় এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা একশোর বেশি (নির্দল-সহ)। এর আগে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ছিল ১০৭, অন্য দিকে সমর্থন ছিল ১৩ নির্দল বিধায়কের। কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৯০-এ নেমে এসেছে, অন্য দিকে সমর্থনকারী নির্দল বিধায়কের সংখ্যা কমে হয়েছে সাত।

তবে গত সোমবার সন্ধ্যায় ১০২ জন বিধায়ককে রিসর্টে রেখেছে কংগ্রেস। যা রাজ্যের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য ম্যাজিক ফিগারের থেকে সামান্য হলেও বেশি।

Continue Reading

দেশ

পরিষদীয় দলের দ্বিতীয় বৈঠকেও গরহাজির সচিন পায়লট

রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, আহমেদ পটেল, পি চিদাম্বরম, কেসি বেণুগোপালরা গত কয়েকদিনে বার বার সচিনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আমন্ত্রণ জানানো হলেও ফের পরিষদীয় দলের বৈঠকে গরহাজির রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পায়লট (Sachin Pilot)।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, আহমেদ পটেল, পি চিদাম্বরম, কেসি বেণুগোপালরা গত কয়েক দিনে বার বার সচিনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সচিন কোনো কথাই শুনতে রাজি হচ্ছেন না।

সূত্রের খবর, সচিনকে বার বার বোঝানো হয়েছে যে এখনও সময় রয়েছে দলে ফিরে আসার। কিন্তু তাঁর তরফ থেকে ইতিবাচক কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এই আবহেই মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকে কংগ্রেসের দ্বিতীয় পরিষদীয় বৈঠক শুরু হয়ে গিয়েছে, সচিনকে ছাড়াই।

এ দিকে সোমবার রাতে সচিন পায়লট (Sachin Pilot) শিবির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে অন্তত ১৫ জন বিধায়ক সচিন শিবিরকে সমর্থন করছে। তারা হরিয়ানার মানেসারের একটি হোটেলে রয়েছেন বলে সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের দাবি।

সচিন শিবিরের দাবি তাদের পক্ষে অন্তত ৩০ জন বিধায়ক রয়েছেন। তবে সোমবারের ভিডিওয় ১৫ জনকে দেখা যাচ্ছে। তবে সেটাও যদি হয়, তা হলেও রাজস্থানে সংকট আসন্ন।

সোমবার সকালেই অশোক গহলৌত (Ashok Gehlot) শিবির দাবি করেছিল, তাদের দিকে একশোরও বেশি বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। এর পর পালটা সচিন বলেন, “আমার কাছেই তো ২৫ জন রয়েছেন।” ফলে প্রকৃত সংখ্যাটা কত, কোনো শিবিরই ঠিক করে বলতে পারেননি।

উল্লেখ্য, সোমবার গহলৌত শিবির যে বৈঠক করে, তাতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে সচিন-সহ বিদ্রোহী কংগ্রেসিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থাই নিতে হবে। কাউকে রেয়াত করলে চলবে না।

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা5 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা7 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে