এই বিয়েতে বাধা দিয়েছিলেন এলাকার এক জন সক্রিয়কর্মী ভি মহেন্দ্রন। তিনি দাবি করেছিলেন, এই দম্পতি যদি পাহাড়ে থাকেন, তা হলে পাহাড়ের শান্তি বিঘ্নিত হবে। এলাকায় আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সমস্যা হবে। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার এই আপত্তি খারিজ করেন ও বিয়েতে অনুমতি দেন। এ প্রসঙ্গে চানু বলেন, তিনি বুঝতে পারছেন না এই বিয়ে নিয়ে এত ভয় কেন পাচ্ছেন সবাই। এটা দু’ জন মানুষের ব্যক্তিগত সম্পর্ক। বিয়ে হোক বা না হোক তাঁরা একটা বাড়িতে এক সঙ্গে থাকবেন। একটা বিয়ে কী ভাবে এই সুন্দর রাজ্যের কাছে হুমকি হয়ে উঠতে পারে। প্রসঙ্গত মণিপুরের আর্মড ফোর্স স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট (আফসপা) প্রত্যাহারের দাবিতে লড়াই করেছিলেন শর্মিলা। টানা ১৬ বছর অনশনও করেছিলেন। এর পর বিধানসভার নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লড়াইয়ে মাত্র ৯০ জনের সমর্থন পান তিনি। এর পরই তিনি রাজনীতি ছেড়ে সংসার করার সিদ্ধান্ত নেন। শর্মিলার ভাই ইরম সিংহজিত বলেন, প্রথমে খারাপ লেগেছিল। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন যে শর্মিলারও অধিকার আছে ব্যক্তিগত জীবন সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। ১৫ বছরেরও বেশি সময় তিনি আফসপার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন। শর্মিলার মা ইরম শাখি বলেন, কোনো মা-ই চায় না তাঁর সন্তান কষ্টে থাকুক। শর্মিলা নিশ্চয়ই এ বার সুখী হবে। মানবাধিকার আন্দলনের এক জন সক্রিয় কর্মী বলেন, শর্মিলাই এই আন্দোলনের পথ প্রদর্শক। সে কথা ভুলতে পারি না।]]>

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন