লোকসভায় অধীররঞ্জন চৌধুরী।

নয়াদিল্লি: প্রয়োজনীয় সংখ্যা না থাকায় লোকসভায় সরকারি ভাবে বিরোধী দলের স্বীকৃতি পায়নি কংগ্রেস। কিন্তু বিরোধী হিসেবে বৃহত্তম দল তারাই। এই দলের নেতা হয়ে নিজের প্রথম ভাষণেই ঝড় তুললেন বহরমপুরের সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।

বুধবার লোকসভায় স্পিকার নির্বাচনের পর তাঁর ভাষণে বিরোধী বেঞ্চ তো বটেই করতালির ঝড় ওঠে ট্রেজারি বেঞ্চেও।

এ দিন স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন ওম বিড়লা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁকে স্পিকারের আসন পর্যন্ত পৌঁছে দেন অধীরবাবু। তার পর তাঁর ভাষণের সময় যখন আসে, তখন কার্যত ঝড় তোলেন তিনি। সংসদে শপথের সময়ে গত কয়েকদিন ধরে যে ভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় স্লোগান তোলা হয়েছে তার বিরোধিতা করেন অধীরবাবু। তিনি বলেন, “ভারতের গণতন্ত্র বহুদলীয় গণতন্ত্র। তাই আপনাকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কখনও জয় শ্রী রাম, কখনও আল্লা হু আকবর, কখনও জয় কালী বলে যে নজির তৈরি করলেন সাংসদরা তা ঠিক নয়। সংসদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।”

আরও পড়ুন খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে, চাঞ্চল্য

একটি হিন্দি কবিতার কয়েক লাইন উল্লেখ করে নতুন স্পিকারের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছাবার্তায় বহরমপুরের সাংসদ বলেন, “খুদাসে কেয়া মাঙ্গু, তেরে ওয়াস্তে, সদা খুশিসে ভরে হো তেরে রাস্তে। হসি তেরে চ্যাহেরে পে রহে ইস তরাহ, খুশবু ফুলও কে সাথ রহতি হ্যায় জিস তরাহ।”  

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার অধীরবাবুকে লোকসভায় কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করে দল। বাংলার কাছে এটা যে একটা বড়ো প্রাপ্তি তা তো বলাই বাহুল্য। সেই আসঙ্গে আরও একটা প্রাপ্তি হল, লোকসভা স্পিকারের বাঁ দিকের আসনের প্রথম সারিতেই বসতে দেখা গিয়েছে অধীরবাবুকে। সনিয়া, রাহুলরা ছিলেন তাঁর বাঁ দিকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here