নয়াদিল্লি: গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের প়ঞ্চায়েত মামলা নিয়ে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে । গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটে মোট কত আসনে প্রতিদ্বন্দিতা হয়নি, তা বলতে পারেননি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী অমরিন্দর সরণ ও কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন শাণ্ডিল্য। যার ফলশ্রুতিতে কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করে শীর্ষ আদালত। বুধবার ওই মামলার শুনানিতে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপির তরফে যাবতীয় তথ্য পেশ করা হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ীদের তালিকা হাতে পাওয়ার পর আদালত জানায়, আগামী ৬ আগস্ট এই মামলার রায় জানানো হবে।

আদালত দুইপক্ষের তালিকা খতিয়ে দেখে তাতে মিল রয়েছে। তবে মনোনয়নের দিন বাড়িয়েও কেন তা প্রত্যাহার করা হয়, সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কমিশনকে। কমিশনের তরফে বলা হয়, বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে তা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু কী সেই বাস্তব পরিস্থিতি, আদালতের পাল্টা প্রশ্নে কমিশন কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি বলেই জানা গিয়েছে। আইনজ্ঞদের মতে, ওই দিনই সম্ভবত শীর্ষ আদালত নির্ধারণ করতে পারে নির্বাচন না হওয়া প্রায় ৩৪ শতাংশ আসনের ভাগ্য।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বিজেপির আইনজীবী দাবি করেন, রাজ্যের ৩৪ শতাংশ আসনে নির্বাচন হয়নি। এই দাবির সত্যতা যাচাইয়ে কমিশনের আইনজীবীর কাছে তথ্য চান প্রধান বিচারপতি। কিন্তু কমিশন সেই তথ্য দিতে অপারগ হওয়ায় এক দিনের (বুধবার) মধ্যে  আদালতের কাছে হলফনামা জমা করার নির্দেশ দেন তিনি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here