ওয়েবডেস্ক: সাত দফার লোকসভা ভোট শেষ হয় গত ১৯ মে। পর দিন ২০ মে দিনাঙ্কিত ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কাহিনির শিরোনাম ছিল- “ইন্ডিয়া’জ ডিভাইডার ইন চিফ”। ফলাফল ঘোষণার পর সেই টাইম ম্যাগাজিনেরই প্রচ্ছদ কাহিনির শিরোনাম বদলে হয়ে গেল- “মোদী হ্যাজ ইউনাইটেড ইন্ডিয়া লাইক নো প্রাইম মিনিস্টার ইন ডিকেডস”।

ভোট চলাকালীনই আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনের আগামী সংখ্যার মলাট-কাহিনি নিয়ে দেশজোড়া বিতর্কের সূত্রপাত হয়ে যায়। ২০ মে মূদ্রণ সংখ্যায় ওই নিবন্ধটি প্রকাশিত হলেও ডিজিটালে চলে আসে তার আগেই। টাইম-এর ওই সংখ্যার প্রচ্ছদ কাহিনির শিরোনাম “ইন্ডিয়া’জ ডিভাইডার ইন চিফ”। সঙ্গে ছিল মোদীর একটি ছবিও। নরেন্দ্র মোদী সরকারের পাঁচ বছরের নানান তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় টাইম-এর ওই ইস্যুতে।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মোদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলতেন, ভারতের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বিভেদের রাজনীতি করেন। টাইম-এর এই প্রচ্ছদ কাহিনিতেও সেই অভিযোগই মান্যতা পাওয়ায় সমালোচনা আরও তীব্র করেন বিরোধীরা।

তবে ৩০৩টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করতেই টাইম-এর নিবন্ধের শিরোনামও একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গেল। এ বারের নিবন্ধটির লেখন মনোজ লাডওয়া, যিনি লন্ডন ভিত্তিক সংবাদপত্র গোষ্ঠী ইন্ডিয়া আইএনসি গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ এক্সিকিউটিভ।

ওই নিবন্ধে লাডওয়া লিখেছেন, “নরেন্দ্র মোদীর প্রথম দফায় এবং এ বারের ম্যারাথন নির্বাচনকালে তাঁকে কড়া এবং অন্যায় সমালোচনার মুখে পড়তে হলেও দেশের অন্য কোনও প্রধানমন্ত্রী গত পাঁচ দশকের মধ্যে ভোটারদের এ ভাবে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেননি”।

স্বাভাবিক ভাবেই ‘বিভেদের হোতা’ থেকে ‘অখণ্ডতার হোতা’য় রূপান্তরকে ‘ভুল’ সংশোধন হিসাবেই দেখছেন ওয়াকিবহাল মহল।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here