অমেদাবাদ: মুম্বইয়ের বান্দ্রার মতোই ঘরে ফিরতে চেয়ে পথে নেমে পড়লেন গুজরাতের বরাছার পরিযায়ী শ্রমিকেরা (migrant workers)।

মঙ্গলবার সকালে করোনাভাইরাস (coronavirus) মোকাবিলায় আরও ১৯ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এর পরই মুম্বইয়ের বান্দ্রা স্টেশনে কয়েক হাজার পরিযায়ী শ্রমিক ঘরে ফেরার আশায় ভিড় জমান। লকডাউন অমান্য করায় তাঁদের উপর পুলিশের লাঠি চালানোর ঘটনার কথাও জানা

কতকটা একই ঘটনার খবর পাওয়া যায় গুজরাতের বরাছা থেকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, বরাছা রোডে কয়েকশো পরিযায়ী শ্রমিকের ঢল নামে। সুরতের (Surat) পুলিশ কমিশনার আরবি ব্রহ্মভট্ট বলেন, “আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। রাস্তায় বেরিয়ে পড়া মানুষকে কোনো উদ্বেগ ছাড়াই তাঁদের বাসস্থানে ফিরে যেতে রাজি করা হয়”।

একটি পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, সুরতে প্রায় ১২ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছেন। লকডাউনের জেরে তার সিংহভাগই সেখানে আটকে রয়েছেন। তবে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে তাঁদের খাবার এবং বাসস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।

সুরত মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার বাঞ্ছানিধি পাণি জানিয়েছেন, “আমরা প্রতিদিন ৬,৩০০০ মানুষের খাদ্য নিশ্চিত করে চলেছি। পুরসভা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি যৌথ ভাবে এই কাজ করছে। কোথাও কমিউনিটি কিচেন আবার কোথাও প্যাকেটবন্দি খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বাসস্থানের বন্দোবস্তও করা হয়েছে”।

পাণি বলেন, “আমরা পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত করতে ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসা কেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছি। চিকিৎসক এবং মনোবিদরা নিয়মিত ভিজিট করছেন। ফলে তাঁদেরও (পরিযায়ী শ্রমিক) উচিত আমাদের কাজে সহযোগিতা করা”।

আরও পড়ুন: মুম্বই বিক্ষোভ: উদ্বেগ অমিতের, ‘রাজনীতি’ এড়াতে বললেন উদ্ধব ঠাকরে

একই সঙ্গে তিনি জানান, আগামী বুধবার কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকা প্রকাশিত হওয়ার পর সেই মতোই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন