airtel vs jio tv

ওয়েবডেস্ক: অনলাইনে ভিডিও দেখার কথা বলা হলে প্রথমে আমাদের মাথায় আসে হটস্টার, অ্যামাজন প্রাইম ইত্যাদি। কিন্তু মোবাইলে লাইভ ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে যে দু’টি সংস্থা সব থেকে এগিয়ে তারা হল জিও টিভি এবং এয়ারটেল টিভি।

আপনি যদি এয়ারটেলের গ্রাহক হন, তা হলে এয়ারটেল টিভি অ্যাপটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ফেলতে পারেন। জিও-প্রাইমের গ্রাহকরা জিও টিভির অ্যাপটি বিনামূল্যে পেয়ে যাবেন। অনেকের আবার ডুয়াল সিম রয়েছে, তাই নিজেদের ফোনে দু’টো অ্যাপই রাখতে পারেন তাঁরা। কিন্তু যাঁরা এখনও কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করেননি, এবং ভাবছেন কোনটা ভালো, তাদের জন্য জিও এবং এয়ারটেল টিভির মধ্যে একটা তুলনা করার চেষ্টা করা হল।

প্রথমে আসা যাক চ্যানেল লিস্টের কথায়। গ্রাহকরা প্রথমেই যেটা চাইবেন সেটা হল কোন টিভিতে বেশি জিনিস দেখার সুযোগ রয়েছে। এখানে এয়ারটেলকে দশ গোল দিয়ে যাচ্ছে জিও। এক দিকে যখন জিও ৫৮৩টি চ্যানেল দেখার সুযোগ দিচ্ছে, তখন এয়ারটেল দিচ্ছে মাত্র ৩৬৮। এয়ারটেলে হিন্দি চ্যানেল রয়েছে ১১০, যেখানে জিও-র রয়েছে ১৭৩।

এইচডি চ্যানেলের ক্ষেত্রেও এয়ারটেলের থেকে অনেকটাই এগিয়ে জিও। এয়ারটেলে যেখানে এইচডি চ্যানেলের সংখ্যা ১৩ সেখানে জিও-তে এইচডি চ্যানেল ৩৯।

গ্রাহকরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই টিভি দেখতে চাইলে সব সময় জানতে চাইবেন কে বেশি ডেটা খরচ করে। জিও-তে ‘হাই কোয়ালিটির’ ক্ষেত্রে প্রতি দশ মিনিট লাইভ টিভি দেখলে ২৫০ এমবি ডেটা খরচ হয়, অন্য দিকে এয়ারটেলের ক্ষেত্রে সেটা দশ মিনিটে ৩০০ এমবি। এয়ারটেলে যদি ‘মিডিয়াম কোয়ালিটি’ করা হয়, তা হলে ডেটা খরচ কমে হবে ১৫০ এমবি। ‘লো কোয়ালিটি’ করলে এয়ারটেলে খরচ হবে দশ মিনিটে ৭০ থেকে ৮০ এমবি ডেটা।

তবে এ সব কিছু ছাড়াও দেখার অভিজ্ঞতাও বলে একটা ব্যাপার রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দু’টোর মধ্যে বিশেষ পার্থক্য নেই। ৪জি কনেকশনে টিভি দেখলে বাফারিং-এর কোনো সমস্যা নেই কোথাওই। তবে কনেকশন ৩জিতে নামিয়ে আনলে সেই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তা হলে কী দাঁড়াল? কে বেশি ভালো? সব কিছু পর্যালোচনা করে দেখা গেল, দু’টোর মধ্যে কোনোটাতেই বিশেষ পার্থক্য নেই। তবে চ্যানলের তালিকা বেশি থাকার ফলে জিও কিছুটা এগিয়ে থাকবে এয়ারটেলের থেকে। তবে আপনি যদি ডেটা খরচকে প্রাধান্য দেন, তা হলে আপনার পক্ষে এয়ারটেল টিভি দেখাই ভালো হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here