তিন দিনের উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ‘পুরস্কার’ পেয়ে গেলেন অজিত পাওয়ার!

0

ওয়েবডেস্ক: সেচ সংক্রান্ত একটি দুর্নীতি মামলা থেকে রেহাই পেয়ে গেলেন এনসিপি নেতা তথা তিন দিনের জন্য মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসা অজিত পাওয়ার।

মহারাষ্ট্র দুর্নীতিদমন (এসিবি) শাখার তরফে নাগপুর আদালতে একটি হলফনামা জমা করা হয়েছে। তাতে ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছে এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পওয়ারের ভাইপোকে।

গত ২৭ নভেম্বর, মহারাষ্ট্র এসিবির তরফে বম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চে বিদর্ভ সেচ দুর্নীতি মামলা সংক্রান্ত একটি হলফনামা জমা করা হয়। তাতে সমস্ত অভিযোগ থেকে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী অজিত পওয়ারকে ক্নিনচিট দেওয়া হয়েছে।

এর পরের দিন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন উদ্ধব ঠাকরে। গঠন হয় ‘মহা বিকাশ আঘাডি’ সরকার।

উল্লেখ্য, সবাইকে চমকে দিয়ে গত ২২ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন দেবেন্দ্র ফড়নবীস। তাঁর সহকারী হিসেবে শপথ নেন অজিত পাওয়ার। ঠিক তার পরের দিনই, ৭০ হাজার কোটি টাকার সেচ দুর্নীতির মামলায় পাওয়ার ক্লিনচিট পেয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছিল।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই সারা দেশ জুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়। বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে অজিত পওয়ার পরিচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছেন বলে কটাক্ষ করছিল বিরোধীরা।

পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায় যে তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ক্লিনচিট দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন মহারাষ্ট্র দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকরা। জানান, মাত্র ৯টি মামলার বিষয়ে অজিত পওয়ারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এখনও এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন করা বাকি আছে। তাই ক্লিনচিট দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।

আরও পড়ুন ফারুক আবদুল্লাহ কেমন আছেন? টুইটারে তাঁর চিঠি পোস্ট করলেন শশী তারুর

এর পরই মহারাষ্ট্রে ফের পালাবদল ঘটে। কিন্ত অজিত পাওয়ার নিজের মাথা থেকে দুর্নীতির কলঙ্ক ঘুচিয়ে নিতে পেরেছেন। ফলে একটা ব্যাপার ফের একবার মাথাচাড়া দিচ্ছে। তা হল, অপরাধীর খাতা থেকে ভাইপোর নাম মুছতেই কি এই চাল চেলেছিলেন শরদ পাওয়ার?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.