অমদাবাদ: নারদা গামে দাঙ্গার দিন সকালে বিধানসভায় এবং তার পর হাসপাতালে ছিলেন মায়া কোডনানি। সোমবার বিশেষ আদালতে এ রকম ভাবেই মায়ার স্বপক্ষে সওয়াল করলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।

২০০২-এর ২৮ ফেব্রুয়ারি নারোদা গামে ১১ জন মুসলিমকে হত্যায় অভিযুক্ত মায়া। প্রসঙ্গত মায়া কোডনানি ২০০২-এর গুজরাত দাঙ্গায় আরেকটি মামলা, নারোদা পাটিয়া দাঙ্গা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। যদিও মায়া বারবার দাবি করে এসেছেন নারোদা গামে ওই হত্যার ঘটনার সময়ে তিনি ওইখানে উপস্থিত ছিলেন না।

সোমবার বিজেপি সভাপতি আদালতে বলেন, ঘটনার দিন গুজরাত বিধানসভা থেকে অমদাবাদের সোলা সিভিল হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। গোধরার ঘটনায় মৃত ব্যক্তিদের দেহ ওই হাসপাতালে এনে রাখা হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে মায়াও ছিলেন। তাঁর দাবি, হাসপাতালে বিক্ষোভের মুখে পড়ে তাঁকে এবং মায়াকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। যদিও এর পর মায়া কী করেছেন সে ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না বলে আদালতে জানান অমিত শাহ।

নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য আদালতে নিজের সই করা রেজিস্টার মায়া পেশ করেছিলেন। তবে অমিতের দাবি, সেই সই মায়ার নিজের কি না, সে ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না।

যদিও অমিতের এই বক্তব্যকে দু’ভাবে ব্যাখ্যা করেছে দু’পক্ষের আইনজীবী। আসামী পক্ষের আইনজীবী চেতন শাহ বলেন, “মায়ার দাবিকে সমর্থন করেছেন অমিত শাহ।” তবে সরকারি কৌঁসুলি শামসেদ পাঠান বলেন, “অমিত শাহ বলেছেন ঘটনার দিন সকালে বিধানসভায় ছিলেন মায়া এবং সাড়ে ১১টা নাগাদ হাসপাতাল থেকে মায়াকে বেরোতেও দেখেছিলেন, সেই কথাও বলেন তিনি। সুতরাং মায়া যে নারোদা গামে উপস্থিত ছিলেন তা প্রমাণিত।”

উল্লেখ্য, মায়ার স্বপক্ষে সওয়াল করার জন্য গত সপ্তাহে অমিতকে তলব করে বিশেষ আদালত। নারোদা পাটিয়া দাঙ্গা মামলায় মায়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও, শারীরিক কারণে ২০১৪ থেকে জামিনে রয়েছেন তিনি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here