llegal immigration from Bangladesh

ওয়েবডেস্ক: পুরুলিয়ার সভা থেকে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ একাধিক অভিযোগে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরই মধ্যে অমিতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ছিল ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ’ নিয়ে। তিনি প্রকাশ্য সভায় মন্তব্য করেন, “বাংলার মানুষ যদি চায় বাংলাদেশ থেকে বেআইনি অনুপ্রবেশ বন্ধ হোক, তা হলে আগে প্রয়োজন মুখ্যমন্ত্রীর আসন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে সরানো”। অমিতের এহেন মন্তব্যের পর তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মহুয়া মৈত্র এনডিটিভিতে লেখা একটি প্রতিবেদনে সেই মন্তব্যকে যুক্তি সহকারে খণ্ডন করলেন।

মহুয়ার যুক্তি, “গোয়েবলসীয় কায়দায় মিথ্যা কথাকে বারবার বলে বিজেপি মানুষের মনে গেঁথে দিতে চাইছে। ভারত ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানার দৈর্য্য ৪,০৯৬ কিমি। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক বা ২,২১৭ কিমি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। যেখানে নজরদারি চালায় কেন্দ্রীয় সরকারের সেরা পাঁচ সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বিএসএফ। ফলে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো দায়বদ্ধতা নেই রাজ্য সরকারের হাতে।

Mahua Moitra

সম্প্রতি ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের কাছে এ ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য হজম করতে হয়েছে কেন্দ্রকে। সুপ্রিম কোর্টে বেআইনি অনুপ্রবেশকারী রোখার একটি নির্দেশে সীমান্ত এলাকায় বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পাদনের কথা বলা হয়েছিল। সেখানে কেন্দ্র এফিডেভিটে আবেদন জানায়, এই কাজ সম্পন্ন করতে সময়ের প্রয়োজন। ওই কাজ শেষ করতে আরও তিন বছর সময় লাগবে”।

ওই প্রতিবেদনে মহুয়া লিখেছেন, “অনুপ্রবেশকারী রুখতে পশ্চিমবঙ্গের সরকারকে ছুঁড়ে ফেলার আগে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের উচিত নিজেদের কাজ সম্পর্কে অবহিত হওয়া। নিজেদের কর্মপদ্ধতির সঠিক তথ্য কাছে না থাকার জন্য অযথা রাজ্য সরকারের ঘাড়ে দোষ ঠেলে দিয়ে কোনো লাভ নেই”।

ছবি: প্রতীকী

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here