রবিবার হামলার পরে।

নয়াদিল্লি: লাহোরে বসে অমৃতসর হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জার্মানি এবং কানাডায় বসবাসকারী কয়েক জন শিখ ব্যক্তি এই পাকিস্তানি জঙ্গিদের সাহায্যে এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন নিরাপত্তা আধিকারিক এমনই কথা বলেছেন।

পঞ্জাবকে নতুন করে অশান্ত করে তোলার জন্যই এই হামলা করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর। এই হামলায় পাকিস্তানি জঙ্গিদের সাহায্য নেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। কারণ যে গ্রেনেড ছোড়া হয়েছিল, সেগুলি পাকিস্তানে তৈরি।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের নেতৃত্বে মঙ্গলবার এই বিষয়ে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব, পঞ্জাবের ডিজিপি-সহ অন্যান্য আধিকারিকও। উল্লেখ্য, ৮০’র দশকে পঞ্জাবে জঙ্গিপনার সরাসরি মোকাবিলা করেছিলেন দোভাল। এই বৈঠকে যে তথ্য উঠে আসে তা হল, সীমান্তের ওপারে গোটা ঘটনার পরিকল্পনা করা হয়। এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন প্রত্যাশার চেয়েও ভালো প্রদর্শন কংগ্রেসের, বিজেপি শূন্য শৈলশহর

তবে পঞ্জাবের ঘটনা নিয়ে বিশেষ আতঙ্কিত নন নিরাপত্তা আধিকারিকরা। পঞ্জাবে মাঝেমধ্যেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে। কিন্তু এর ফলে পঞ্জাব নতুন করে অশান্ত হয়ে ওঠা বা সাধারণ মানুষকে বিচ্ছিন্নতাবাদের দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

তবে পাশাপাশি নতুন করে সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, ২০১৯-এর নির্বাচনের আগে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জঙ্গি হামলা চালাতে পারে জঈশ জঙ্গিরা। উল্লেখ্য, দিল্লিতে দু’জন জঙ্গি ঢুকে পড়েছে, এমন একটি সতর্কতা বুধবার জারি করেছে দিল্লি পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত রবিবার অমৃতসরের কাছে একটি ধর্মীয় সভায় গ্রেনেড ছোড়ে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েক জন ব্যক্তি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিন জনের। ঘটনাটি যে জঙ্গি হামলা, এমন সন্দেহ প্রকাশ করেই তদন্ত শুরু করে পঞ্জাব প্রশাসন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here