Amritsar

অমৃতসর: অমৃতসরের নিরঙ্করী অনুষ্ঠানগৃহে গ্রেনেড হামলায় অভিযুক্ত দু’জনের নাম প্রকাশ করল পঞ্জাব পুলিশ। বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, এক জন হল ২৬ বছরের বিক্রমজিত সিং। অন্য জন ৩২ বছরের অবতার সিং। বিক্রমজিত এক জন কৃষক। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অবতার সিং পলাতক। অবতার ১৯৮৪ সালের অপারেশন ব্লু স্টারে সঙ্গে যুক্ত গুরদয়াল সিং-এর ছেলে। অবতার চাকমিশ্রি খান গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় একজন চিকিৎসক। উল্লেখ্য, রবিবারের এই হামলায় নিহত হন তিন জন। ২০ জন আহত।

মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিং বলেন, অবতারই গ্রেনেড ছুড়েছিলেন। বিক্রমজিতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিক্রমজিত খালিস্তানি লিবারেশন ফোর্সের সদস্য। তাঁরই মোটর সাইকেল ব্যবহার করে বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এই জঙ্গি হানা ঘটানো হয়েছে পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী আর আইএসআইয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।

আরও পড়ুন : কলকাতা শহরতলিতে রাতে সক্রিয় হয়ে উঠছে সন্দেহজনক রেডিও সিগন্যাল! প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য

অবতারের প্রতিবেশী সূত্রের খবর, অঞ্জলায় অবতারের বাড়ির আশেপাশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অবতারের বাবাকে আগেই গ্রেফতার হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁর একটি মুদির দোকান আছে। অবতারের দু’টি মেয়ে। শহরে অবতারের একটা ছোটো চিকিৎসালয়ও আছে। এই পরিবারটির সব মিলিয়ে  চার একর জমিও আছে। সোমবার পুলিশ তল্লাশি চালানোর আগে পর্যন্ত তাঁরা সবাই বাড়িতেই ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকে আর তাঁদের দেখা যাচ্ছে না। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, অবতার একজন অনুমতিপ্রাপ্ত চিকিৎসক।

Amritsar's-grenade-attack

অন্য দিকে ধারিওয়ালে বিক্রমজিতের কাকা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে বিক্রমজিতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ তাঁদের আশ্বাস দিয়েছিল, পরের দিন দুপুরের মধ্যে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। কিন্তু সন্ধ্যায় জানা যায়, গ্রেনেড হামলার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিশ্বাস বিক্রমজিতকে মিথ্যে ফাঁসানো হয়েছে।

স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্য রসপাল সিংয়ের দাবি, বিক্রমজিত নির্দোষ। বিক্রমজিতের বাবা সুখবিন্দর সিং ১৮ বছর আগে মারা গিয়েছেন। বিক্রমজিতের ছোটো ভাই কানাডায় থাকেন। গ্রামের তাঁদের আট একর জায়গা জমি আছে। গ্রামের বহু মানুষ রবিবার বিক্রমজিতকে গ্রামেই দেখেছে। তিনি অন্য কোথাও যাননি বলেই তাদের ধারণা।

এমনকী বিক্রমজিতের কাজে কাজ করা দু’ জন কৃষকেরও দাবি, তিনি সারা দিন খামারেই ছিলেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here