crime sex racket queen

ওয়েবডেস্ক: বাড়ির কোণে বাথরুমের গা-ঘেঁষা সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হয়েছিল স্বামীর কঙ্কাল। এ বার মন্দিরের মেঝে খুঁড়ে মিলল আর এক নিকটাত্মীয়ের কঙ্কাল। মন্দিরে ঢুকে পুলিশ একটু নড়াচড়া করে তাজ্জবও বনে গেল। নিজের বাড়িকে পতিতালয়ে পরিণত কার ফরিদা ভারতী ওরফে সরিতা শুধু এই আদিম ব্যবসাই চালাত না, পাশাপাশি জমকালো ভাবে চলত তন্ত্র সাধনার কাজও।

tantra1

মন্দিরে সযত্নে সাজানো রয়েছে প্রায় ৫০০টি দেবদেবীর মূর্তি এবং ছবি। আলমারির ভিতর রয়েছে ৩০০টি কালাজাদুর ভিডিও সিডি। এবং তা দেখার জন্য একটি ভিডিও প্লেয়ার। পুলিশের অনুমান, এই কালাজাদুরই শিকার হয়েছে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি। প্রাথমিক তদন্ত বলছে, তন্ত্রসাধনায় বলি দেওয়ার জন্য মানবশরীরের প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে ফরিদা ওই ব্যক্তিকে সেই কাজে ব্যবহার করে থাকতে পারে। তবে এখানেই শেষ নয়, পুলিশের কাছে খবর রয়েছে, এ রকম আরও দু’জনকে অভিযুক্ত মক্ষীরানি খুন করে মৃতদেহ গায়েব করে দিয়েছে।

এই ধারণার বশবর্তী হয়েই পুলিশ ২বিএইচকে-র বাড়িটিকে তন্ন তন্ন করে খুঁড়তে শুরু করে। কিন্তু কয়েক কেজি ব্যবহৃত কন্ডোম ছাড়া আর কোনো কিছুরই হদিশ মেলেনি। মুম্বইয়ের বৈসর থানার গান্ধীপদায় চুটিয়ে দেহব্যবসা চালাত ফরিদা। ১৩ বছর আগে নিজের স্বামী সহদেবকে খুন করে মৃতদেহটিকে বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে গুম করে রেখেছিল। পুলিশ দেহব্যবসার অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে সে কথা জানতে পারে। এবং সহদেবের কঙ্কালও উদ্ধার করে। পুলিশ জেনেছে, সম্প্রতি কমলেশ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে থাকত ফরিদা। ব্যবসা চালানোর পাশাপাশি এই সমস্ত খুনের ঘটনাতেও যে ওই কমলেশ ফরিদাকে সহযোগিতা করেছে, তার কিছু প্রাথমিক প্রমাণও পুলিশের হাতে এসেছে।

আরো পড়ুন: স্বামীকে খুন করে সেপটিক ট্যাঙ্কে লাশ গুম করেছিল যৌনকর্মী স্ত্রী

পুলিশ জানিয়েছে, এতগুলো খুন ওই মহিলা একা হাতে করেনি বলেই তাদের মনে হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই কমলেশের নাগাল মিলে যায়। খুনের পর মৃতদেহগুলি গায়েব করতে কমলেশ যে সাহায্য করেছে, তা তাকে গ্রেফতারের পর জানা গিয়েছে। বাকি আরও দু’টি খুনের তদন্ত চলছে। সেগুলির ক্ষেত্রে মৃতদেহ ঘরে না রেখে অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলেই পুলিশের অনুমান।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here