social media

ওয়েবডেস্ক: মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত মঙ্গলবার পাঁচ সমাজকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুণে পুলিশ। একাংশের মতে, দলিত আন্দোলনে ্অংশ নেওয়ার কারণেই যে ‘বিতর্কিত’ আইনকে হাতিয়ার করে পুণে পুলিশ ওই পাঁচ সমাজকর্মীকে গ্রেফতার করেছে, তা প্রায় খুল্লমখুল্লা হয়ে গিয়েছে। সে সরকার যতই দাবি করুক, ভিমা কোরেগাঁও-এ মাওযোগের তথ্য হাতে পাওয়ার পর তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই সামাজিক আন্দোলনে জড়িত থাকার অপরাধে মাও-তকমা সেঁটে দেওয়া এই গ্রেফতারিতে শুধু মাত্র ঝড়-ই ওঠেনি, উল্টে আগুন ঝরছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সাধা্রণ মানুষের ক্ষোভের আঁচ হয়তো টের পেতে শুরু করেছে সরকারও।

মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত মিটুআর্বাননক্সাল হ্যাজট্যাগে  প্রায় ১৭ হাজার টুইট হয়। এঁদের প্রত্যেকেই ওই পাঁচ সমাজকর্মীর গ্রেফতারির প্রতিবাদে নিজেকে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন টুইটারে। আবার কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই যে মাও-তকমা সেঁটে দেওয়া হচ্ছে, সে কথা জানাতেও দ্বিধাবোধ করছেন না অনেকেই।

এর মধ্যে আরও একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রীর একটি টুইট করেন। মনে করা হচ্ছে, সেই পোস্টের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়েই এই হ্যাজট্যাগটিকে কয়েক হাজার টুইতারিয়েত হাতিয়ার করে ফেলেছেন। যে আগুনের ফুলকি সমানে ঝরে চলেছে বুধবারেও। উল্লেখ্য, বিবেকের টুইটগুলি দক্ষিণপন্থী দৃষ্টিভঙ্গির ও বক্তব্য প্রচারের জন্য বিখ্যাত।

বিবেকের টুইটের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়েই কয়েক হাজার টুইতারিয়েত রীতি মতো তাঁকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। তিনি নকশালদের প্রতিরোধের কথা বলায়, নিজেদের নকশাল হিসাবে ঘোষণা করতে পিছপা না সারা দেশের সাধারণ মানুষ-এমন বার্তা পৌঁছে দিতেই এখন টুইটারের ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে মিটুআর্বাননক্সাল হ্যাজট্যাগ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন