নয়াদিল্লি: গত বছর শ্রীশ্রী রবিশঙ্করের ‘আর্ট অফ লিভিং’-এর বিশ্ব সাংস্কৃতিক উৎসবে যমুনা-তীরবর্তী এলাকায় যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করতে দশ বছর সময় লাগবে। পরিবেশ বিষয়ক দেশের সর্বোচ্চ আদালত, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে জানাল বিশেষজ্ঞ কমিটি। সেই সঙ্গে তারা জানিয়েছে যে এই অঞ্চলকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে অন্তত তেরো কোটি টাকা খরচ হবে।

বুধবার এনজিটিকে একটি ৪৭ পাতার রিপোর্ট জমা দিয়েছে ওই সাত সদস্যের ওই প্যানেল। প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রকের সচিব শশী শেখর। রিপোর্টে যমুনা-তীরবর্তী অঞ্চল নষ্ট করার জন্য দায়ী করা হয়েছে রবিশঙ্করের সংস্থাকে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, “যমুনার পশ্চিমাংশের তিনশো একর এবং পূর্বাংশের ১২০ একর জমির জীববৈচিত্র সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। ওই এলাকা এখন রুক্ষ, শক্ত এবং সেখানে কোনো চাষাবাদ নেই। স্টেজ, র‍্যাম্প তৈরি করার জন্য প্রচুর মাটি ফেলা হয়েছিল। এর ফলেই এই অঞ্চল এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত।”

তবে এই অভিযোগ অবশ্য সম্পূর্ণ ভাবে নস্যাৎ করেছে ‘আর্ট অফ লিভিং’। তারা জানিয়েছে, “আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। সত্যির জন্য আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। পরিবেশ ধ্বংস করার কথা আমরা ভাবতেই পারি না। বরং পরিবেশকে রক্ষা করার জন্য আমরা একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছি।”

আরও পড়ুন: যমুনা চুলোয় যাক, ‘জয়যাত্রা’ চলুক শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের

উল্লেখ্য, গত বছর ১১ থেকে ১৩ মার্চ যমুনার তীরে ধূমধাম করে বিশ্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের ‘আর্ট অফ লিভিং’। এর ফলে পরিবেশবিদদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল ‘আর্ট অফ লিভিং’। যমুনার তীরবর্তী অঞ্চলের ক্ষতির কথা মাথায় রেখে জাতীয় পরিবেশ আদালত ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন।   

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here