arun jaitley and p chidambaram
ফাইলচিত্র

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সাংবিধানিক বৈধতা পেলেও আধারের কার্যকারিতার উপর শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক, মোবাইল পরিষেবা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে কার্যকারিতা হারিয়েছে আধার। রায় ঘোষণার পরই কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়, সুপ্রিম কোর্টের এই রায় আদতে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির গালে “চপেটাঘাত”। যদিও কয়েক ঘণ্টা পরই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন, আধার নিয়ে সমালোচনা করার আগে জানা উচিত, টেকনোলজিকে অবজ্ঞা করার কোনো জায়গা নেই।

জেটলি বলেন, আধার নিয়ে এখন অনেক সমালোচনা হচ্ছে। কিন্তু যাঁরা সমালোচনা করছেন, তাঁদেরও টেকনোলজিকে অবজ্ঞা করার কোনো জায়গা নেই। এই আধারের মাধ্যমেই নাগরিকদের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে ৯০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। দেশে ১২২ কোটি নাগরিক আধারের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যে কারণে ভুয়ো যে কোনো ব্যক্তি সরকারি পরিষেবা জালিয়াতির মাধ্যমে আদায় করতে অক্ষম।


আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোন ক্ষেত্রে আধার জরুরি, কোন ক্ষেত্রে নয়

জেটলিকে পাল্টা দিয়ে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম মন্তব্য করেন, টেকনোলজিকে অবজ্ঞা করার কোনো প্রশ্নই নেই। কারণ ইউপিএ সরকারের আমলেই এই টেকনোলজিকে গ্রহণ করা হয়েছিল।


আরও পড়ুন: আধার সাংবিধানিক ভাবে বৈধ, তবে…

উল্লেখ্য, বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র-সহ পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ আধার নিয়ে রায় দেন। ওই রায়কে জেটলি ঐতিহাসিক হিসাবে আখ্যা দিয়েছেন। যদিও তার আগেই কংগ্রেস সাংসদ তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত আধার আইনের ৫৭ ধারাকে খারিজ করা আসলে বিজেপির গালে ‘সপাটে চড়’।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন