নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া। যা শেষ ২০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম। সোনিয়া গান্ধীর কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন শশী তারুর। অন্য দিকে, তাঁর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখা যাবে অশোক গহলৌতকে। যদিও তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, এখনও প্রস্তুত নন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী।

সূত্রটি বলছে, ১৭ অক্টোবরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আগামী সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেন গহলৌত। তাই বলে রাহুল গান্ধীকে ওই পদে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় কসুর করছেন না এখনও। কংগ্রেস সভাপতি পদ নিয়ে রাহুলকে রাজি করাতে এক সপ্তাহ সময় হাতে রাখছেন গহলৌত।

দলের শীর্ষপদে রাহুলই প্রথম পছন্দ গহলৌতের। এ কারণে সভাপতি নির্বাচনে নিজের মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে তিনি রাহুলকে রাজি করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অর্থাৎ, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী চান, তিনি নন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন রাহুল।

দলের প্রবীণ নেতা গহলৌত, বিজেপির “অপারেশন লোটাস” এবং দলের বিধায়ক বিদ্রোহ-সহ অনেক অঘটনের সম্মুখীন হয়েছেন। শক্ত হাতে মোকাবিলাও করেছেন। তাঁকে বারবার দলের দায়িত্ব নিতে বলেছেন খোদ সোনিয়া। কিন্তু দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে বসানোর পর তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সচিন পাইলটকে যদি মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে দিতে হয়, এমন উদ্বেগও রয়েছে।

এর আগে সচিনের নেতৃত্বে বিদ্রোহের ঘটনা এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়ার নয়। তার উপর বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট রাজস্থানে। গত সোমবারই দিল্লিতে পৌঁছেছেন সচিন। এর আগে যে ভাবে মুখ্যমন্ত্রী পদকে নিশানা করে দিল্লি দাপিয়েছিলেন, সে সব কথাই ফের উঠে আসছে চর্চায়। বিশেষ করে যখন কংগ্রেসের একটি অংশ মনে করছে, রাজস্থানে আগামী বছরের নির্বাচনের আগে সচিন পাইলটকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত। তবে গহলৌতের শক্তির কাছে বরাবরই হার মানতে হয়েছে তাঁকে।

এমন পরিস্থিতিতে, দলের শীর্ষপদে যাওয়ার ব্যাপারে একাধিক শর্তের উল্লেখ করছেন গহলৌত-ঘনিষ্ঠরা। যেমন, মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরতে হলে সেখানে তাঁর ‘অনুগত’ কাউকে রাখতে হবে। তা না হলে তিনি কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে উভয় ভূমিকাই ধরে রাখার জন্য জোর দিতে পারেন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন