Assam Flood

ওয়েবডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে ভাসছে অসম। রাজ্যের ধিমাজি, লখিমপুর, বিশ্বনাথ, দারাং, বরপেটা, নলবাড়ি, চিরাং, গোলাঘাট, মাজুলি, জোরহাট এবং ডিব্রুগড়ে বন্যার প্রকোপে ঘরছাড়া হয়েছেন চার লক্ষেরও বেশি মানুষ। সরকারি সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত প্রাণ গিয়েছে তিন জনের। বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে নামানো হয়েছে সেনা।

রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, এক দিকে যখন বন্যা মোকাবিলার কাজ চলছে, দুর্গতদের উদ্ধার করার আপ্রাণ চেষ্টা চলছে, তখন অন্য দিকে নতুন করে বাড়ছে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকার সংখ্যা।

অসমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের (এএসডিএমএ) এক অধিকর্তা এ দিন জানান, এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর খবর তাঁদের হাতে উঠে এসেছে। এঁদের মধ্যে দু’জনের প্রাণহানি হয়েছে বন্যায় এক জন মারা গিয়েছেন ভূমিধসে।

প্রায় সপ্তাহখানেক ধরে একনাগাড়ে ২৪ ঘণ্টার ভারী বর্ষণ হয় অসমে। এর ফলে প্রায় আড়াইশো গ্রাম জলের তলায় চলে যায়। তার পরেও ভারী বর্ষণ চলতে থাকায় বন্যার কবলে পড়ে ১৭টি জেলা। দ্বিতীয় দফায় মিলিয়ে আক্রান্ত হয় প্রায় সাতশো গ্রাম। চাষের জমিও পুরোপুরি জলের নীচে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ১৬,৩৭০ হেক্টর কৃষিজমি সম্পূর্ণ ভাবে জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে।

পরিস্থিতি আয়ত্তে নিয়ে আসতে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী(এসডিআরএফ)-র সঙ্গে উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগ (এনডিআরএফ)-ও।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল আক্রান্ত এলাকার জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন, নিজের নিজের জেলার বন্যা পরিস্থিতির পর্যবেক্ষমে ২৪x৭ কন্ট্রোল রুম খোলা রাখতে।

প্রসঙ্গত, প্রায় নির্ধারিত সময়েই এ বছর বর্ষার আগমন ঘটে ভারতে। এর আগে প্রবল বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছে মুম্বই। রাস্তাঘাট, রেললাইন এমনকী বিমানবন্দরেও জলের আধিক্যে বিপর্যস্ত হয় জনজীবন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here