BSF bengal

ওয়েবডেস্ক: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে যাবে ত্রিপুরায়। শাসক দল সিপিএমকে এ বার লড়তে হবে তিন জাঁদরেল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। কারণ কয়েক দশক ত্রিপুরায় কংগ্রেস আর বামপন্থীদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ লড়াই চললেও এ বার যথেষ্ট শক্তি নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে ঝাঁপাবে তৃণমূল এবং বিজেপি। তবে খুব একটা স্বস্তিতে নেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরাও। কারণ দীর্ঘ ৮৫৬ কিমি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বে-আইনি আনাগোনা রদের বিশেষ ব্যবস্থা না নিলে ভোটের আসরে অবাঞ্ছিত ঘটনার আবির্ভাব হতে পারে যে কোনো সময়। সে দিকে তাকিয়েই এখন থেকেই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএসএফকে কড়া নজরদারির কথা জানাল ত্রিপুরা নির্বাচন কমিশন।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক শ্রীরাম তারিণীকান্তি বিএসএফ কর্তৃপক্ষেৰ সঙ্গে মিলিত হন। তিনি জানান, ‘কয়েক দিন আগেই বিএসএফের ইন্সপেক্টর জেনারেলের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সীমান্ত এলাকার সমস্ত বুথে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বা জিপিএস ব্যবস্থার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। আমি আশা করছি আগামী সপ্তাহ থেকেই ওই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।’

শ্রীরাম জানিয়েছেন, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক বাহিনীর টহলদারি শুরু হয়ে যাবে গোটা রাজ্য জুড়ে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনে তাঁরা যে সংখ্যক নিরপত্তা বাহিনী চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন তা মঞ্জুর করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। কমিশন চায়, সীমান্তের কাঁটাতার ঘেষা প্রত্যন্ত এলাকার ভোটাররা নির্বিঘ্নে মত দান করুন।

ত্রিপুরায় তালিকাভুক্ত বুথের সংখ্যা ৩১৭০টি। ওই সব বুথ থেকে ভোটারের বাসস্থানের দূরত্বো যথেষ্ট। স্বাভাবিক ভাবে ভোটারদের নিরাপত্তার বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিতে চায় কমিশন। যে কারণে ঐচ্ছিক ভাবে ৩২১৪টি বুথের মাধ্যমে এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণের কাজ চলবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here