অটলবিহারী বাজপেয়ী। ছবি সৌজন্যে স্ক্রলডটইন।

৯৪ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। এক বার পিছন ফিরে দেখা যাক তাঁর জীবনের সালতামামি। 

২৫ ডিসেম্বর, ১৯২৪ – গ্বালিয়রে জন্ম।

বাবা – কৃষ্ণবিহারী বাজপেয়ী

মা – কৃষ্ণা দেবী

শিক্ষাগত যোগ্যতা – কানপুরের ডিএভি কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ।

১৯৩৯ – স্বয়ংসেবক হিসাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘে (আরএসএস) যোগদান।

১৯৪২ – ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়ে কারাবরণ। ‘আর কখনও ব্রিটিশ-বিরোধী সংগ্রামে যোগ দেব না’ এই মুচলেকা দিয়ে ২৩ দিন পরে মুক্তি। এর পর তিনি আর স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দেননি।

১৯৪৭ – আরএসএস-এর সর্ব সময়ের কর্মী তথা ‘প্রচারক’ হওয়া।

১৯৫১ – ভারতীয় জনসংঘে যোগদান এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সংস্পর্শে আসা।

১৯৫৭ – লোকসভা নির্বাচনে মথুরা থেকে পরাজিত হলেও উত্তরপ্রদেশের আরও একটি কেন্দ্র বলরামপুর কেন্দ্রে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ।

১৯৬৮ – জনসংঘের সর্বভারতীয় সভাপতি মনোনীত।

১৯৭৫ – জরুরি অবস্থায় বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি।

১৯৭৭ – জনতা পার্টি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর বিদেশমন্ত্রী মনোনীত।

১৯৮০ – ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পত্তন। বিজেপির প্রথম সভাপতি।

১৯৯২ – পদ্মভূষণ সম্মান লাভ।

১৯৯৩ – লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত।

১৬ মে, ১৯৯৬ – প্রথম বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত, বিজেপি প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে না পারায় ১৩ দিন পর পদত্যাগ।

১৯ মার্চ, ১৯৯৮ – এনডিএ জোটের নেতা হিসাবে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত। ১৩ মাস পরে জোট গরিষ্ঠতা হারায়। বাজপেয়ী ১৯৯৯ সালের ১৭ এপ্রিল পদত্যাগ করেন।

মে, ১৯৯৮ – পোখরানে ভারতের পরমাণু পরীক্ষা।

ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ – দিল্লি-লাহোর বাসযাত্রার সূচনা।

২৬ জুলাই, ১৯৯৯ – কারগিল যুদ্ধের সমাপ্তি, বিজয় দিবস পালিত।

১৩ অক্টোবর, ১৯৯৯ – এনডিএ গরিষ্ঠতা পাওয়ার পর তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

১৪ জুলাই, ২০০১ – আগরায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফের সঙ্গে শীর্ষ সম্মেলন।

২০০৫ – সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর।

২০১৫ – ‘ভারতরত্ন’ সম্মানে ভূষিত।

১৬ আগস্ট, ২০১৮ – জীবনাবসান।

 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন