ramdev

হরিদ্বার: গত অর্থবর্ষে ১০ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল তাঁর সংস্থা। চলতি অর্থবর্ষে সেই অঙ্কটা হতে পারে দ্বিগুণ কিংবা তারও বেশি। যোগগুরু বাবা রামদেবের ‘পতঞ্জলি’। নিন্দুকেরা বলেন, বছর দুয়েক আগে ম্যাগির বাজার নষ্ট করার পেছনেও নাকি ছিল এই সংস্থার হাত। দেশ জুড়ে ম্যাগি নিষিদ্ধ হওয়ার পর এক লাফে বেড়ে গিয়েছিল পতঞ্জলি নুডল্‌সের বিক্রি। এ বার তাদের লক্ষ্য সারা দেশ জুড়ে পতঞ্জলির নিরামিষ ফুড চেন ছড়িয়ে দেওয়া। পতঞ্জলির ‘কুইক সার্ভিং রেস্টুরেন্ট’-এ থাকছে ৪০০-র কাছাকাছি নিরামিষ পদ।

এই প্রজন্মের ভারতীয়দের একটা বড় অংশ মজেছেন বহুজাতিক ফুড চেনের রকমারি আমিষ ‘ফাস্ট ফুড’-এ। কেএফসি, ম্যাকডি, সাবওয়ে তাঁদের রোজকার জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে ক্রমশ। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নিরামিষ খাবার দিয়েই চটজলদি খাবারের বাজার দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছেন যোগগুরুর সংস্থা।

 

“উত্তর এবং দক্ষিণ ভারতের জন্য আলাদা মেনু করব না আমরা। নিরামিষ পদের চেয়ে সুস্বাদু আর কিছু হয় না। ক্রেতারা আমাদের এখানে নিজেদের পছন্দমতো পদ বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। আমাদের ফুড চেন বাজারে এলে আমিষ খাবার পরিবেশন করা বুহুজাতিক সংস্থাগুলো পাত্তাও পাবে না। পাঁচ বছরের মধ্যে পতঞ্জলি এদের শেষ করে ফেলবে। এমএনসিগুলো দেশের ভালো করতে আসে না, বরং দেশ থেকে লুঠ করতে আসে”, বললেন বাবা রামদেব।

চাষের ফলন বাড়ানোর জন্য দেশের কৃষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও ভাবছেন রামদেব এবং তাঁর সংস্থা। ইতিমধ্যে ইনদওর, নয়ডা, নাগপুর-সহ নানা শহরেই তাদের উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলেছে পতঞ্জলি।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here