ওয়েবডেস্ক: আপত্তিকর বিষয়বস্তুর তকমা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট ব্লক করার ঘটনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ২০১৪ সালে এনডিএ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে তাদের পদক্ষেপ নজরে পড়ার মতোই। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীকে আপত্তিকর আখ্যা দিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকার ব্লক করার সিদ্ধান্ত কার্যকরী করে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। বিশেষত ফেসবুক, টুইটার এবং ইউটিউবে ব্লক করার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।

একটি পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, ২০১৭ থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৩২৯টি সোশ্যাল মিডিয়ার ইউআরএল ব্লক করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের পরামর্শদাতা কমিটি। ২০১৬-তে এই সংখ্যাটি ছিল ৯৬৪টি। অর্থাৎ পর পর দু’বছরের পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যাচ্ছে এক বছরের মধ্যে ব্লক করার পরিমাণ বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। অন্য দিকে ২০১৫ সালে ওই সংখ্যাটি ছিল মাত্র ৫৮৭টি। অস্বাভাবিক ভাবে ২০১৪ সালে যখন বিজেপি ক্ষমতায় এল তখন ওই ইউআরএল ব্লক করার সংখ্য ছিল মাত্র ১০টি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, পরিস্থিতির কী এমন বদল হয়েছে যে, সোশ্যাল মিডিয়াকে এতটাই শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে বিজেপি সরকার?

উল্লেখ্য, ইন্টারনেটে আপত্তিকর পোস্ট ব্লক করার নিয়ম রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি আইন ২০০০-এর ৭৯(৩)(খ) ধারায়। শুধুমাত্র ফেসবুকেই ২০১৭ সালে ওই আইনের আওতায় ব্লক করা হয়েছে ৫৩০টি ইউআরএল এবং ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ব্লক করার সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩৫২ এবং ৩৬৩টি।

অন্য দিকে টুইটারে ২০১৭ সালে ব্লক করা ইউআরএলের সংখ্যা ৫৮৮টি, একই ভাবে ২০১৫ ও ২০১৬-য় ওই সংখ্যা যথাক্রমে ২৭ ও ১৯৬টি। ইউটিউবের ক্ষেত্রে শেষ তিন বছরে সংখ্যাগুলি ছিল ১২৩ (২০১৭), ৩ (২০১৬) এবং ১২৫ (২০১৫)।

যে কারণে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ন্যূনতম আপত্তিকর বিষয়বস্তু রয়েছে এমন পোস্ট থেকে বিরত থাকাই ভালো।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন