ওয়েবডেস্ক: বার, রেস্তোরাঁ বা ক্লাবে বিয়ার পানের সময় বোতলবন্দি পানীয়ের মেয়াদ নিয়ে অতশত মাথা ঘামানোর তাগিদ দেখান না কেউ-ই। গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন, এবং তার পরেই ঢক ঢক গলাধকরণ! এমনটাই সচরাচর ঘটে থাকে পানশালাগুলিতে। তবে এ বিষয়ে সতর্কতা বাণী শোনাচ্ছে দিল্লি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। দফতরের কর্মীরা বেশ কয়েকটি পানশালায় হানা দিতেই উঠে এসেছে সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

দিল্লির আবগারি দফতরের কর্মী-আধিকারিকরা হানা দিয়েছিলেন সম্ভান্ত্র এলাকা হিসাবে পরিচিত হজ খাস, নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি এবং কনৌট প্লেসের মতো বেশ কয়েকটি জায়গার পানশালায়। সেখানে গিয়ে তাঁদের চক্ষুচড়কগাছ। বেশ কয়েক জায়গায় তাঁরা হাতেনাতে ধরে ফেলেন মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া বিয়ারের পরিবেশন।

মূলত রেস্তোরাঁ কাম বার, বার বা নাইট ক্লাবগুলিতেই অন্যান্য মদের মতোই পাওয়া যায় বিয়ার। বারে গিয়ে গোটা বোতল চাওয়ার রীতি থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিবেশনকারী তা টেবিলের সামনে এসে ছিপি খুলে গ্লাসে ঢেলে দেন। এই রীতিপালনের মধ্যে আতিথেয়তার আড়ালেই লুকিয়ে রয়েছে জালিয়াতি ব্যবসা। পরিবেশনকারী গ্লাসে পানীয় ঢেলে দেওয়ার ফলে বোতলের মেয়াদ নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার মনে করেন না ক্রেতা।

জানা গিয়েছে, দিল্লির আবগারি দফতরের কর্তারা মোট ২১৪টি পানশালায় হানা দিয়েছিলেন। যার মধ্যে ৯৪টি থেকে মিলেছে নিয়ম ভঙ্গ করার প্রমাণ। মেয়াদ উত্তীর্ণ বিয়ার পানে শারীরিক ক্ষতির সম্ভাবনার আশঙ্কা থাকলেও পানশালাগুলি বেমালুম জালিয়াতি চালিয়ে গিয়েছে বলে কর্তাদের দাবি।

দিল্লি বিধানসভায় জমা করা আবগারি দফতরের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, বসন্তবিহার, রাজৌরি গার্ডেন, সাকেত, নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি, পঞ্জাবি বাগ, কনৌট প্লেস, লক্ষ্মীনগর, জানকপুরীর মতো ন’টি এলাকায় মিলেছে ওই জালিয়াতি ব্যবসার প্রমাণ। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতর।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন