ভারত বায়োটেকের অন্দরমহল। প্রতীকী ছবি: wefornews.com থেকে

খবর অনলাইন ডেস্ক: ইন্ট্রানেজাল বা নাকের মধ্যে কোভিডের টিকা দেওয়ার দ্বিতীয়/তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার অনুমোদন পেল ভারত বায়োটেক

শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায় দেখা গিয়েছে যে এর মাত্রাগুলি “সহনশীল” এবং কোনো গুরুতর “বিপরীত প্রতিক্রিয়া”র রিপোর্ট করা হয়নি।

প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (PIB) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই ইন্টারনেজাল ভ্যাকসিনটিই প্রথম সর্বোচ্চ পর্যায়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্স কাউন্সিলের (BIRAC) অনুমোদন পেয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “এর আগেই দেখা গিয়েছে, ভ্যাকসিনটি নিরাপদ, ইমিউনোজেনিক এবং প্রি-ক্লিনিক্যাল টক্সিসিটি গবেষণায় পর্যাপ্ত সহনশীল। টিকাটি প্রাণী গবেষণায় উচ্চ স্তরের নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল”।

বিআইআরএসি হল একটি অলাভজনক পাবলিক সেক্টর এন্টারপ্রাইজ, যা কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনে বায়োটেকনোলজি বিভাগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত। এটি একটি ইন্টারফেস এজেন্সি। নবীন বায়োটেক এন্টারপ্রাইজগুলিকে কৌশলগত ভাবে গবেষণা এবং উদ্ভাবনায় সাহায্য করে এই এজেন্সি।

এই ‘ইন্ট্রানেজাল’ কোভিড টিকার কথা আগেই জানিয়েছিল ভারত বায়োটেক। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই টিকা তৈরির কথা জানানো হয় সংস্থার তরফে।

সংস্থা জানায়, প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে নাক দিয়ে টিকার বিষয়টি সব থেকে ভালো পদ্ধতি। কারণ নাকের মধ্য দিয়েও করোনার সংক্রমণ ঘটে।

এ দিকে পিআইবি-র প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রের তৃতীয় আর্থিক প্যাকেজের অংশ হিসেবে কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন তৈরির প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী ও ত্বরান্বিত করতে মিশন কোভিড সুরক্ষা চালু করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হল ভ্যাকসিন তৈরির গতিকে বাড়ানোর জন্য সংস্থাগুলিকে একত্রিত এবং আর্থিক সহযোগিতা করা।

আরও পড়তে পারেন: পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণ কমলেও কলকাতায় বাড়ল নতুন আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যু ১০-এর নীচে

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন