Connect with us

দেশ

জিও-র পর কি এয়ারটেল-ভোডাফোনেও জুড়বে আইইউসি?

Jio Vodafone Airtel

ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি রিলায়েন্স জিও যেমন ভিন্ন নেটওয়ার্কের আউটগোয়িং কলগুলির জন্য ফ্রি ভয়েস সুবিধা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের ঘোষণা করেছে, সেই পথই কি অনুসরণ করবে অন্যান্য অপারেটররাও?

জিও-র ঘোষণার পর অন্য কোনো অপারেটর এমন সিদ্ধান্তের কথা না জানালেও গ্রাহকের মনে এই প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অপারেটর এবং টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ট্রাই) উভয়ের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে চার্জের পরিমাণ যে কোনো দিকেই যেতে পারে। অর্থাৎ, অপারেটেরদের অনুরোধ মেনে যদি ট্রাই এ ব্যাপারে ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর করে, তা হলে চার্জের পরিমাণেও হেরফের ঘটাতে পারে অপারেটররা। অন্য দিকে যদি ট্রাই নিজের সিদ্ধান্তেই অনড় থাকে, তা হলে জিও-ব্যতীত অন্যান্য অপারেটররা কলচার্জে বাড়তি নিয়ম জুড়লে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন ইন্ডিয়া লিমিটেড ‘অফ নেট কল’গুলির জন্য একই রকম চার্জ চালু করবে কিনা, তা এখনও দেখার বিষয় রয়েছে।  যদিও ওয়াকিবহাল মহল ওই দুই সংস্থার ক্ষেত্রে জিওকে অনুসরণ করার উচ্চ সম্ভাবনা দেখছে।

ইউবিএসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনও একটি সম্ভাবনা রয়েছে যে রেগুলেটর সংস্থা শূন্য ইন্টারকানেক্ট ইউজেস চার্জেস বা আইইউসি স্থগিত করে মূল পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তকে লাগু করতে পারে।

গত মাসে প্রকাশিত একটি পরামর্শপত্রে ট্রাই আইইউসি খারিজের তারিখ মুলতবি করেছে। এর বিলুপ্তি বা হ্রাস অপারেটরদের ইনকামিং কলগুলির থেকে বেশি বহির্গামী ট্র্যাফিকের সহায়তা করবে।

এ প্রসঙ্গে জিও ট্রাইয়ের কাছে চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানায়, তারা  আশা করে বর্তমান নিয়মটি বাতিল করা হবে। কারণ ‘এটা শুধুমাত্র শিল্পের স্বার্থের বিরুদ্ধে নয়, গ্রাহক তথা একটা বৃহৎ অংশের জনসাধারণেরও বিপক্ষেও’।

যদিও একাংশের বিশ্লেষকরা বলছেন, এয়ারটেল এবং ভোডাফোনের পক্ষে জিও-র পথ অনুসরণ করবে কি না, তা অনুমান করা সহজ নয়। কারণ জিও-র মতো তাদের সমস্ত গ্রাহকই সীমাহীন ভয়েস কলের প্ল্যান ব্যবহার করেন না। তাদের যেমন একাধিক পোস্টপেড বিভাগ রয়েছে, তেমনই খুচরো রিচার্জের গ্রাহক সংখ্যাও অনেক বেশি। স্বাভাবিক ভাবে ওই দুই সংস্থা জিও-র পদক্ষেপকে পুরোপুরি অনুকরণ করবে, না কি করবে না, অথবা আংশিক ভাবে অনুসরণ করবে, এমন সমস্ত প্রশ্নের উত্তর তারা তড়িঘড়ি বিবেচনা করতে চাইবে না।

দেশ

নতুন রোগী বৃদ্ধির হার আরও কমল দেশে, কমল মৃত্যুহারও

খবর অনলাইনডেস্ক: ভারতে করোনায় আক্রান্ত নতুন রোগী বৃদ্ধির হারে অনেকটাই পতন দেখা গেল মঙ্গলবার। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার নতুন রোগী বাড়ল মাত্র ৪.২৮ শতাংশ। রোগী বৃদ্ধির হার এতটা কম কিন্তু এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি ভারতে। পাশাপাশি মৃত্যুহারেও আরও কিছুটা পতন দেখা গিয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এই মুহূর্তে করোনায় মোট সংক্রমিতের সংখ্যা এক লক্ষ ৯৮ হাজার ৭০৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯৭,৫৮১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৫,৫২৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫,৫৯৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় (Coronavirus) নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,১৭১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩,৭০৮ জন। এই সময়ে ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতে এই মুহূর্তে মৃত্যুহার কমে এসেছে ২.৮১ শতাংশে। ফলে বোঝা যাচ্ছে করোনাভাইরাস এমন সাংঘাতিক কোনো ভাইরাস নয়। যেমন আরও হাজারটা ভাইরাসের সঙ্গে সাধারণ মানুষকে মোকাবিলা করতে হয়, করোনা ঠিক তেমনই। তফাৎ বলতে, অন্য সব ভাইরাসের থেকে করোনা একটু বেশি ছোঁয়াচে।

৪৮ ঘণ্টা পর ভারতে করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা যেমন কমেছে, তেমনই কমেছে রোগী বৃদ্ধির হার। শুকনো অঙ্কই বুঝিয়ে দিচ্ছে ভারতে আনলক ১ শুরু হলেও এখনও প্রত্যাশিত ভাবেই করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা এগোচ্ছে, নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে সব কিছু।

ফলে অযথা আতঙ্কিত হবেন না। যাঁদের রাস্তায় বেরোতে হচ্ছে তাঁদের মধ্যেও কোনো আতঙ্ক তৈরি করবেন না। এখন আতঙ্কিত নয়, সতর্ক থাকার সময়।

Continue Reading

দেশ

দুর্বল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে নিসর্গ আঘাত হানতে পারে মুম্বইয়ে

মুম্বই: সম্ভবত মামুলি ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই উপকূল পেরোবে নিসর্গ (Cyclone Nisarga)। ল্যান্ডফলের সময়ে হাওয়ার গতিবেগ খুব বেশি হলে ঘণ্টাপ্রতি ১০০ কিলোমিটারের আশেপাশে থাকতে পারে। কিন্তু তাতেই কার্যত ত্রস্ত হয়ে গিয়েছে মুম্বই-সহ গোটা মহারাষ্ট্র (Maharashtra) উপকূল।

আসলে মহারাষ্ট্র খুব একটা ঘূর্ণিঝড়প্রবণ নয়। ২০০৯ সালে শেষবার একটি ঘূর্ণিঝড় মহারাষ্ট্রে আছড়ে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেও মামুলি ঝড় হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি খুব একটা হয়নি। তাই ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ঠিক ভাবে পরিচিত নয় মহারাষ্ট্রে। ফলে মামুলি ঘূর্ণিঝড় হলেও তা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মুম্বইয়ে।

এ বার করোনাভাইরাসের (Coronavirus) কারণে আতঙ্ক অনেকটাই বেশি। সোমবারের হিসেব বলছে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র মুম্বইয়েই ৪০ হাজার। শহরে অসংখ্য কনটেনমেন্ট জোন। প্রশাসনের আশঙ্কা, ঝড়ের কারণে কোনটেনমেন্ট জোনে নজরদারি কমতে পারে। এর ফলে শহরে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া দফতরের থেকে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের যে মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে যে মহারাষ্ট্রের হরিহরেশ্বর (Harihareswar) আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দমনের (Daman) মধ্যে দিয়ে ঝড়টি স্থলভাগে ঢুকবে। মুম্বই, ঠানে, পালঘর অঞ্চলগুলি ঝড়ের গতিপথেই পড়েছে।

বুধবার রাতের দিকে এই ঝড় স্থলভাগে ঢুকতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের (Cyclone Amphan) সঙ্গে তুলনা করলে নিসর্গ খুবই মামুলি ঝড় তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এই ঝড়ের সঙ্গেই প্রচুর বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মহারাষ্ট্র আর দক্ষিণ গুজরাত উপকূলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলা করতে রাজ্যে ন’টি দল পাঠিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)। এর মধ্যে শুধুমাত্র মুম্বইয়েই তিনটে দল রয়েছে। পালঘরে ২টি দল রয়েছে। এ ছাড়া একটি করে দল রয়েছে ঠানে, রায়গড়, রত্নাগিরি, সিন্ধুদুর্গে।”

তবে নিসর্গকে মোকাবিলা করা যে অনেকটাই সহজ হবে, সেটা জানিয়েছেন এনডিআরএফের (NDRF) ডিজি এসএন প্রধান। তিনি বলেন, “নিসর্গতে হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিমি থাকতে পারে। এটা মোকাবিলা করা অনেকটাই সহজ। তবুও আমরা ঢিলে দিচ্ছি না। উপকূলে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদে সরাতে শুরু করেছি।”

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের তাণ্ডবে কলকাতা তছনছ হওয়ার পর এ বার মুম্বইয়ের পালা। তবে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হাওয়ার গতিবেগ কম থাকায় কলকাতার মতো ভয়াবহ অবস্থা মুম্বইয়ের হবে না।

Continue Reading

দেশ

১৮টি রাজ্যসভা আসনে ভোট আগামী ১৯ জুন: নির্বাচন কমিশন

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে রাজ্যসভার ১৮টি আসনে নির্বাচন স্থগিত ছিল।

Parliament

নয়াদিল্লি: দেশের সাতটি রাজ্য থেকে ১৮টি রাজ্যসভা আসনের স্থগিত থাকা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানায়, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে রাজ্যসভার (Rajya Sabha) যে ১৮টি আসনে নির্বাচন স্থগিত ছিল, সেগুলিতে আগামী ১৯ জুন ভোটগ্রহণ হবে।

কোন রাজ্যে ক’টি আসন?

অন্ধ্রপ্রদেশ-৪টি

গুজরাত-৪টি

মধ্যপ্রদেশে-৩টি

রাজস্থান-৩টি

ঝাড়খণ্ড- ২টি

মণিপুর-১টি

মেঘালয়-১টি

একই সঙ্গে একটি বিবৃতিতে কমিশন জানায়, ১৯ জুন সন্ধ্যায় ভোটগণনা হবে।

ভোটগ্রহণে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবকে কোভিড-১৯ (Covid-19) প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

গত মার্চ মাসে এই আসনগুলিতে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারি (Coronavirus pandemic) এবং লকডাউনের জেরে তা স্থগিত হয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে ১৭টি রাজ্যের ৫৫ আসনে ভোট ঘোষণা করে কমিশন। সেগুলির মধ্যে ১০টি রাজ্যের ৩৭ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং