খবরঅনলাইন ডেস্ক: পঞ্জাবের পরে এ বার ছত্তীসগঢ়ের ক্ষেত্রেও কংগ্রেসের হাইকমান্ড ইঙ্গিত দিল, মুখ্যমন্ত্রীকে সরানোর দাবি উঠলেও তা মানা হবে না। মনে করা হচ্ছে ছত্তীসগঢ়ের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থনই বাঘেলের পক্ষেই রয়েছে, সে কারণে এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া কিছুটা সহজই হল হাইকম্যান্ডের পক্ষে।

শুক্রবার রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তিন ঘণ্টার বৈঠক করেন বাঘেল। সেখানে রাহুলকে ছত্তীসগঢ়ে গিয়ে তাঁর সরকারের কাজকর্ম দেখে আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন তিনি। পাঁচ বছরের সরকারে আড়াই বছর পরে তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বৈঠকের পরে বঘেলের মন্তব্য, ‘‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই আমি রাহুল গাঁধীকে ছত্তীসগঢ়ে যাওয়ার নিমন্ত্রণ জানিয়েছি।’’

ছত্তীসগঢ়ে রাজ্যের মন্ত্রী টিএস সিংহদেও দাবি তুলেছিলেন, ২০১৮-য় সরকার গঠনের সময় প্রথম বছর বঘেল মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বঘেল এখন গদি ছাড়তে রাজি হচ্ছেন না।

কংগ্রেস নেতৃত্ব বুঝতে পেরেছে যে, আদিবাসী প্রধান ছত্তীসগঢ়ে ওবিসি নেতা বঘেলকে সরিয়ে সরগুজার রাজপরিবারের সন্তান, রাজপুত নেতা সিংহদেওকে মুখ্যমন্ত্রী করা কঠিন। বঘেল যখন রাহুলের সঙ্গে বৈঠক করছেন, সে সময়ে তাঁর অনুগামী বিধায়করা বাস ভাড়া করে কখনও কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক কে সি বেণুগোপালের বাড়ি, কখনও কংগ্রেস সদর দফতরে গিয়ে জানান দিয়েছেন, পরিষদীয় দলে বঘেলেরই পাল্লা ভারি।

বঘেল মুখ্যমন্ত্রী থাকলে সিংহদেওকে কী ভাবে সামলানো হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন

কাবুলের বিস্ফোরণের বদলা, আইসিসের ডেরায় ড্রোন হামলা চালাল আমেরিকা

শুক্রবার দেশ জুড়ে ১ কোটিরও বেশি টিকাকরণ, রেকর্ড করল পশ্চিমবঙ্গও

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন