পঞ্জাবের পর এ বার কি ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বদলাবে দ্বন্দ্বে জর্জরিত কংগ্রেস?

0

রায়পুর: যে যে রাজ্যে তারা ক্ষমতায় সেই সেই রাজ্যেই তারা দ্বন্দ্বে জর্জরিত। সম্প্রতি পঞ্জাবে মুখ্যমন্ত্রী বদল করে ভোটের মুখে সেই দ্বন্দ্ব ধামাচাপা দেওয়া গিয়েছে। এ বার নতুন মাথাব্যাথা ছত্তীসগঢ়। অবশ্য এটা নতুন নয়, মাথাব্যাথাটা পুরনোই, সেই ২০১৮ সাল থেকে।

ছত্তীসগঢ়ে দ্বন্দ্বের আবহটা তৈরি হয়েছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিএস সিংহদেওকে নিয়ে। মিতভাষী এবং প্রচারের আলোর একটু বাইরে থাকা বাঘেলের প্রতিদ্বন্দ্বী সিংহদেও কয়েক মাস ধরে দাবি করে আসছেন যে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদলের প্রয়োজন রয়েছে।

কিছুদিন আগেও ‘নেতৃত্ব বদল’ করার কথা সাংবাদিকদের সামনে বলেন সিংহদেও। তাঁর মূল দাবি ২০১৮-য় সরকার গঠনের সময় প্রথম আড়াই বছর বাঘেল মুখ্যমন্ত্রী থাকার পরে তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল হাইকম্যান্ডের তরফে। সেই কারণেই তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দরকার করছেন।

কিন্তু বাঘেলকে সরানো যে অসম্ভব সেটা বুঝেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। এর কারণ দুটো, প্রথমত বাঘেলের ভাবমূর্তি মোটের ওপরে স্বচ্ছ। আর দ্বিতীয় কারণটাই প্রধান। সেটা হল আদিবাসী প্রধান ছত্তীসগঢ়ে ওবিসি নেতা বাঘেলকে সরিয়ে সরগুজার রাজপরিবারের সন্তান, রাজপুত নেতা সিংহদেওকে মুখ্যমন্ত্রী করলে রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের কাছেই ভুল বার্তা যাবে।

এর ফলে এখনই মুখ্যমন্ত্রী বদল করার বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে চাইছে হাইকম্যান্ড। রবিবার এই প্রসঙ্গেই রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তামরাধ্বজ সাহু বলেন, “আমরা মনে করি একজনকে যখন মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে, তাঁর মুখ্যমন্ত্রী থেকে যাওয়া উচিত। ভূপেশ বাঘেল এখন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন এবং তিনিই মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন। বদলের কোনো প্রশ্নই নেই।”

আরও পড়তে পারেন

লখিমপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্য সরকারের ডাকে বন্‌ধ, সম্পূর্ণ স্তব্ধ হতে পারে গোটা মহারাষ্ট্র

কাশ্মীরে বড়োসড়ো তল্লাশি অভিযানে তদন্তকারীরা, জঙ্গিযোগ সন্দেহে আটক ৭০০

আজ ষষ্ঠী: পঞ্চমীর রাতে কলকাতার মণ্ডপগুলিতে অল্পস্বল্প ভিড়, মাস্ক পরে প্রতিমাদর্শন

বড়িশা ক্লাবে এ বার ‘ভাগের মা’

পুজোর জন্য পশ্চিমবঙ্গে আরও কিছুটা শিথিল হল করোনাজনিত বিধিনিষেধ

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন