cpim election

ওয়েবডেস্ক: রাজ্যের বিজেপি-শিবসেনা সরকার যথেষ্ট চাপে ফেলেছে তাঁদের। তবুও এ বারের পালঘর উপনির্বাচনে তালাসারির এক বৃহত্তর অংশের ভোটার ওই দুই দলের কোনো দিকেই যাবেন না। কেন যাব? প্রশ্ন তুলে এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক যশবন্ত জানাচ্ছেন, “আমাদের তালাসারি থেকে জওয়ার পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা বামপন্থীদের শক্ত ঘাঁটি হিসাবেই পরিচিত। এখানে যদি আমাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে কোনো রাজনৈতিক দল চিন্তা করে তো সেটা এক মাত্র সিপিএম”।

কেমন একটা বিসদৃশ ঠেকে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা প্রভাবশালী দুই দলের দ্বন্দ্বের মাঝে এই এক চিলতে চিত্র। এমনকী পরিসংখ্যান বলছে, পালঘরের জেলার এই লোকসভার অন্তর্গত বেশ কয়েকটি অঞ্চলে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনেও সিপিএম প্রার্থীরা যথেষ্ট নজরকাড়া ফল করেছিলেন। ২০১৬-য় অনুষ্ঠিত ওই পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএম শুধুমাত্র তালাসারি থেকেই জিতেছিল আটটি পঞ্চায়েত আসন। এ ছাড়া লাগোয়া জওয়ার থেকে ছ’টি। সব মিলিয়ে পালঘর জেলার ৩৫টি আসনে জিতেছিলেন সিপিএম প্রার্থীরা।

স্বাভাবিক ভাবেই এ বারের লোকসভা পুনর্নির্বাচনে এই এলাকায় সিপিএম প্রার্থী কিরণ গাহালা যে মোটের উপর ভালো ভোটই পাবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত দলীয় নেতৃত্ব। এ বিষয়ে মহারাষ্ট্রের ওই কেন্দ্রে ভোটের প্রচারে যাওয়া সিপিএম পলিট ব্যুরো সদস্য নীলোৎপল বসু জানান, দৈনন্দিন জীবনযাপনের লড়াই তো আছেই, তারই সঙ্গে জুড়ে গেছে  মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট‌্রেন প্রকল্পে জমি চলে যাওয়ার আশঙ্কা। মূলত আদিবাসী-কৃষক অধ্যুষিত পালঘরের বেশ কয়েকটি বিধানসভা এলাকার মানুষকে দু:স্বপ্নের মতো তাড়া করে বেড়াচ্ছে এই প্রকল্প। এ ছাড়া রয়েছে বাদওয়ান বন্দর এবং দিল্লি-মুম্বই ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোরের জন্য জমি অধিগ্রহণের আগাম আতঙ্ক।

আরও পড়ুন: পালঘর লোকসভা নির্বাচনে কৃষক-আদিবাসী ভোটই হতে চলেছে নির্ণায়ক শক্তি

সব মিলিয়ে আদিবাসীদের ভোট নিয়ে বেশ চিন্তায় রয়েছে বিজেপি-শিবসেনা, দু’তরফই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here