লোকসভা ভোটের মুখে বিজেপির ভাঁড়ারে ঢুকেছে ৮০০ কোটি টাকা!

0
bjp
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে গত ১ এপ্রিল, ২০১৬ থেকে ৩১ মার্চ, ২০১৯- এর মধ্যে বিজেপি ৮০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে। একক ভাবে সব থেকে বড়ো অনুদান এসেছে টাটা গ্রুপ সমর্থিত প্রগ্রেসিভ ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট থেকে, যেখানে ৩৫৬ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

তুলনামূলক ভাবে কংগ্রেস অনুদানের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে বিজেপির থেকে। তারা ২০১৮-১৯ সালে মাত্র ১৪৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে সফল হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রগ্রেসিভ ইলেক্টোরাল ট্রাস্টই কংগ্রেসের তহবিলে বৃহত্তম দাতা।

এখান থেকে কংগ্রেস পেয়েছে ৫৫ কোটি টাকা। এই তালিকা থেকেই দুটি মূল জাতীয় দলকে দেওয়া অনুদানের পার্থক্য একেবারে স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়েছে।

[ আরও পড়ুন: ২০১৯-এ রাজনৈতিক দলগুলিকে সব থেকে বেশি অনুদান দেওয়া ১০টি সংস্থা ]

প্রকৃতপক্ষে, ২০১৮-১৯ সালে কংগ্রেসের সংগৃহীত মোট ১৮৬ কোটি টাকার ৯৮ কোটি টাকা ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট থেকে এসেছে। বিজেপি এককভাবে নির্বাচনী ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা পেয়েছিল। মূলত ভারতী এয়ারটেল, ডিএলএফ এবং হিরো গ্রুপের সমর্থিক প্রুডেন্ট ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট বিজেপিকে দিয়েছে ৬৭ কোটি টাকা এবং কংগ্রেস পেয়েছে ৩৯ কোটি টাকা। আদিত্য বিড়লা জেনারেল ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট বিজেপিকে ২৮ কোটি টাকার বেশি টাকা দিলেও, তারা কংগ্রেসে ২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছিল।

[ আরও পড়ুন: সমালোচনায় শুধু বিজেপি, ইলেকটোরাল বন্ড থেকে তৃণমূলের আয়ও তাক লাগানো! ]

তবে লক্ষ্য রাখার বিষয় এটাই, বিজেপি বা কংগ্রেস কোনো দলই এখনও ইলেক্টোরাল বন্ড থেকে প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ ঘোষণা করেনি। কিন্তু ২০১৩ সাল থেকে বিজেপির প্রাপ্ত অনুদানের বহর যে ক্রমশ বেড়ে চলেছে, সেটা স্পষ্ট। বিজেপি ২০১৭-১৮ সালে ১,০২৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল এবং দলের বার্ষিক নিরীক্ষণের রিপোর্ট অনুযায়ী ৭৫৮ কোটি টাকা ব্যয় করেছে তারা। অন্য দিকে কংগ্রেস ২০১৭-১৮ সালে শুধু মাত্র ২৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.