bjp election campaign

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় বাজেটে কর্পোরেট কর কাটছাঁটের ইঙ্গিত আগেই দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। যতটা জানা গিয়েছে, অর্থমন্ত্রী কর্পোরেট করের হার সর্বাধিক ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারেন। পাশাপাশি সারচার্জ তুলে নেওয়াও হতে পারে। যা নিয়ে বিরোধীরা ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু করে বাজেট অধিবেশনে তীব্র ভাবে প্রতিবাদের প্রহর গুনছে।

রাজনৈতিক মহল অবশ্য এর নেপথ্যে অন্য কারণ দেখছে। তা হল বিজেপির সঙ্গে কর্পোরেট মহলের সর্বজনবিদিত ‘সুসম্পর্ক’।বিজেপির সরকার বললেই আদানি, আম্বানি বা গোয়েঙ্কাদের নাম তুলে ধরেন বিরোধীরা। কারণ যে কোনো রাজনৈতিক দলের কাছেই কর্পোরেট মহলের কম-বেশি মাহাত্ম্য থাকলেও বিজেপির কাছে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাজনৈতিক অনুদান বা আরও স্পষ্ট করে বললে ভোটের চাঁদা নিয়ে সম্প্রতি অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস (এডিআর) যে রিপোর্ট পেশ করেছে, তাতে নজর দিলেই সেই ভিন্ন মাহাত্ম্যের নমুনাই জ্বলজ্বল করছে।

এডিআর জানিয়েছে, ২০১৬-’১৭ অর্থ বর্ষে সমস্ত কর্পোরেট সংস্থা মোট ৩২৫.২৭ কোটি টাকা রাজনৈতিক অনুদান বরাদ্দ করেছে। এর মধ্যে সিংহভাগ অর্থ ঢুকেছে বিজেপির ঘরে।

এডিআরের রিপোর্ট অনুযায়ী, মোট ১০টি রাজনৈতিক দলকে প্রদেয় ওই অনুদানের ৮৯.২২ শতাংশ অর্থাৎ ২৯০ কোটি টাকা একাই নিজের ভাণ্ডারে মজুত করতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি। অন্য দিকে জাতীয় কংগ্রেস, শিরোমণি অকালি দল এবং সমাজবাদী পার্টি মিলে অনুদান আদায় করেছে ৩৩.০৫ কোটি টাকা। বাকি ছ’টি রাজনৈতিক দল মিলে  পেয়েছে ২.২২ কোটি টাকা।

ওই রিপোর্টে বড়োসড়ো অনুদান প্রদানকারীর নাম হিসাবে উঠে এসেছে নির্মাণকারী সংস্থা ডিএলএফের নাম। তারা দিয়েছে ২৮ কোটি টাকা। ইউপিএল এবং জেএসডব্লু এনার্জি যৌথ ভাবে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। তাদের দেওয়া অনুদানের পরিমাণ ২৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া কোটাক মাহিন্দ্রার ফিন্যান্স প্রমোটার সুরেশ কোটাক অনুদান হিসাবে দিয়েছেন ১৮ কোটি টাকা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here