tripura,#BJP,#CPIM

আগরতলা: রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শেষ হয়েছে গত শুক্রবার। শাসক-বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলই আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে ভোটারদের কাছে টানতে। তবে প্রচারপর্বের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছে বিজেপির উদ্যোগ সবাইকে হার মানিয়েছে। কিন্তু ভোটের ফলাফলে কতটা পড়বে  তার প্রভাব?

ত্রিপুরার হাতেগোনা নজরকাড়া কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের ধনপুর। মানিকবাবুর বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী করেছে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক প্রতিমা ভৌমিককে। এই কেন্দ্রে কংগ্রেস এবং তৃণমূলের প্রার্থী যথাক্রমে লক্ষ্মী নাগ (বর্মণ) এবং জহিরউদ্দিন। গত বিধানসভায় এই আসন থেকে মানিকবাবু ৫৭.১০ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হলেও বিজেপি প্রার্থী আবুল কালাম পেয়েছিলেন ১.৯৩ শতাংশ ভোট।

অন্যটি বনমালিপুর, গত ২০১৩- নির্বাচনে এই আসনটি গিয়েছিল কংগ্রেসের দখলে। সে বার বিজেপি প্রার্থী গীতা রায় পেয়েছিলেন মাত্র ১.৩০ শতাংশ ভোট। যেখানে এ বার বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের রাজ্য সভাপতি বিপ্লবকুমার দেব। এখানে তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বী সম্ভবত সিপিএম প্রার্থী, ডিওয়াইএফের রাজ্য সম্পাদক অমল চক্রবর্তী। আবার এই আসনে রয়েছেন কংগ্রেসের গোপালচন্দ্র রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কুহেলী দাস (সিনহা)। এ ছাড়া এই কেন্দ্রে  দুই নির্দল এবং আমরা বাঙালি, এসইউসিআই প্রার্থীও রয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই এই আসনটি এ বারের ভোটে রাজ্যের একটি অন্যতম নজরকাড়া কেন্দ্র।

প্রচারের শেষ দিন পর্যন্ত বিপ্লববাবুর হয়ে ভোটপ্রচারে কোনো খামতি রাখেনি বিজেপি। সুসজ্জিত মিছিল, বাইক মিছিল, জনসভা-সবই ছিল গোটা কেন্দ্র জুড়ে। একই ভাবে রাজ্যের ৫৯টি আসনেই বিজেপির দিনভরের কর্মসূচি ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ৫৯টি আসনের ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। তবে ফলাফল ঘোষণা হতে কেটে যাবে প্রায় এক পক্ষকাল। আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত ইভিএম খোলার অপেক্ষায় থাকতে হবে রাজ্যবাসীকে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন