bjp

ওয়েবডেস্ক: ২০১৪-এ ছিল ২৮২, সেটা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ২৭৪-এ। আর দু’টো খোয়ালে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের গর্বের মুকুটটি চলে যাওয়ার উপক্রম হবে। এই সব চিন্তা এখন ঢুকে পড়েছে বিজেপির মধ্যে। সৌজন্যে মহারাষ্ট্রের দু’টি লোকসভা আসনে উপনির্বাচন।

মে মাসের ২৮ তারিখ মহারাষ্ট্রের দু’টি লোকসভা আসন ভান্ডারা-গোন্ডিয়া এবং পালঘরে উপনির্বাচন। চার বছর আগে দু’টো আসনই জিতেছিল বিজেপি। কিছু দিন আগে পালঘরের বিজেপি সাংসদের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দিকে ভান্ডারা-গোন্ডিয়ার সাংসদ নানা পাটোল দলত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন।

এই নানা পাটোলকে ঘিরেই যাবতীয় চিন্তা বিজেপি শিবিরে। এনসিপির খাসতালুকে ২০১৪-এ ‘জায়ান্ট কিলিং’ করে দিয়েছিলেন পাটোল। হারিয়েছিলেন প্রফুল্ল পটেলকে। সেই পাটোলই মোদীর বিরুদ্ধে এক রাশ ক্ষোভ প্রকাশ করে দল ছাড়েন। পদত্যাগ করেন সাংসদপদ থেকে। কিছু দিনের মধ্যেই যোগদান করেন কংগ্রেস।

এনসিপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে যদি কোনো সমঝোতা হয় এবং এনসিপি যদি কংগ্রেসকে আসনটি ছেড়ে দেয়, তা হলে নানা পাটোলকেই যে কংগ্রেস প্রার্থী করবে তা এক প্রকার নিশ্চিত। উল্লেখ্য, আপাতত কংগ্রেসের সঙ্গে লড়ার ব্যাপারে ঐকমত্যে এসেছে এনসিপি। বিজেপি ছাড়ার সময়ে মোদী সরকারকে ‘কৃষক-বিরোধী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি। এমনিতে মহারাষ্ট্রের কৃষকদের করুণ অবস্থার কথা সবাই জানে। সেই কৃষকদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে নানা পাটোলেরই হাত ধরে বাজিমাত করতে চাইবে বিরোধীরা।

বিজেপির আরও একটি চিন্তার ব্যাপার হতে পারে সঙ্গীহীনতা। শিবসেনা যে বিজেপিকে সমর্থন করবে না সেটা এক প্রকার নিশ্চিত। তারা সম্ভবত আলাদা প্রার্থী দেবে। এই আবহে বিজেপি এই আসনটি দখলে রাখতে পারে কি না সেটাই দেখার।

অন্য দিকে পালঘর নিয়েও নিশ্চিন্ত হতে পারছে না বিজেপি।  ২০১৪-য় মোদী হাওয়ার দাপটে বিজেপি এই আসন জিতলেও, এখানে বিজেপির কোনো দিনই একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল না, আজ নেই, যেমনটি ছিল উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ক্ষেত্রে।

বিজেপি শিবিরে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে উত্তরপ্রদেশের, বিশেষ করে গোরখপুরের উপনির্বাচনটি। যেখানে বরাবরের একটি নিরাপদ আসনও দখলে রাখতে পারল না তারা, সেখানে এই দু’টি আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের তকমা রাখতে পারবে তো তারা?

এর উত্তর পাওয়া যাবে ৩১ মে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here