bjp flag down

ওয়েবডেস্ক: আগামী নভেম্বরে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ় এবং রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস-বিএসপি জোট হলে তা হবে বিজেপির কাছে কতটা আতঙ্কের? গত ২০১৮ সালের প্রাপ্ত ভোট শতাংশ এবং আসনের নিরিখে উঠে এল তেমনই কিছু চমকপ্রদ পরিসংখ্যান।

ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি কমল নাথ বহুজন সমাজ পার্টি (বিএসপি) নেত্রী মায়বতীকে আগামী বিধানসভা ভোটে এক সঙ্গে লড়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্য দিকে মায়াবতীও তাঁর দলের কোর কমিটির বৈঠকে স্পষ্ট ভাবেই বলেছেন, বিএসপির শর্ত মেনে নিলে কংগ্রেস-সহ যে কোনো ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তিনি জোটে আগ্রহী। স্বাভাবিক ভাবেই আগত তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটে যদি কংগ্রেস-বিজেপি জোট হয়, তা হলে বর্তমানে বিজেপির হাতে থাকা ওই তিনটি রাজ্যই দখল করতে পারে ওই জোট।

মধ্যপ্রদেশে মোট আসন সংখ্যা ২৩০টি। ২০১৩ বিধানসভা নির্বাচনে বিএসপি প্রার্থী দিয়েছিল ২২৭টিতে। জিতেছিল মাত্র চারটি আসনে। কিন্তু প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ৬.৪২ শতাংশ। কংগ্রেস পেয়েছিল ৫৮টি এবং বিজেপি ১৬৫টি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধুমাত্র কংগ্রেস-বিএসপি জোট হলে তাদের দখলে আসতে পারে আরও ৪১টি অতিরিক্ত আসন। অর্থাৎ, দুই দল মিলে পেতে পারে ১০৩টি আসন। সেক্ষেত্রে বিজেপির প্রাপ্ত আসনের সংখ্যা হতে পারে ১২৪টি। কিন্তু বিজেপি-বিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও যদি ওই জোটে অংশ নেয়, তা হলে ছবিটা আমূল বদলে যেতে পারে। কারণ, গত বার প্রায় ৪ শতাংশ ভোট গিয়েছিল বামপন্থী দলগুলির পকেটে।

ছত্তীসগঢ়ে ৯০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২০১৩-র ভোটে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বিএসপির প্রাপ্ত আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৪৯, ৩৯ এবং ১টি। কিন্তু কংগ্রেস-বিএসপি এক সঙ্গে লড়লে জোটের আসন বাড়তে পারে আরও ১১টি। সেক্ষেত্রে জোটের দখলে চলে আসতে পারে ৫১টি আসন, যা সরকার গড়ার জন্য যথেষ্ট।

২০০ আসনের রাজস্থানে ২০১৩ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপি, কংগ্রেস এবং বিএসপির আসন ছিল যথাক্রমে ১৬৩, ২১ এবং ৩টি। কিন্তু সেখানে কংগ্রেস-বিএসপি জোটের পক্ষে মাত্র অতিরিক্ত ১১টি আসনে প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা ধরা পড়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here