Lok Sabha 2019

ওয়েবডেস্ক: সাট্টা মার্কেটের বুকিদের হিসাবটা খুবই স্পষ্ট। তাঁদের কাছে, কোনো বেটিংয়ে যার দরা যত কম, তার বা সেই দলের জেতার সম্ভাবনা বেশি। উল্টো দিকে যার দর বেশি তার বা সেই দলের জেতার সম্ভাবনা ততটাই কম। দেশের পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে যথেষ্ট উথাল-পাতাল সা্ট্টা বাজার। ফলাফল মিশ্র হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সেখান থেকেই উঠে আসছে প্রাথমিক একটা ধারণা।

রাজস্থান

বুকি গোষ্ঠীর আলোচনায় উঠে এসেছে বহুমুখি লড়াইয়ের তত্ত্ব। যেমন কংগ্রেস-বিজেপি সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে আসন মিলতে পারে যথাক্রমে ১৩২-১৩৪টি এবং ৪৭-৪৯টি। আবার কংগ্রেসের পাশ থেকে অন্যান্য শক্তিশালী দলগুলি সরে দাঁড়ানোয় সেই ফলাফল দাঁড়াতে পারে ১১৮-১২২ টি এবং ৫৫-৫৭টি।

ছত্তীসগঢ়

কংগ্রেস-বিজেপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাঝে আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অজিত যোগী। তবুও সে রাজ্যে কংগ্রেসের কদর কম। সেখানে সাট্টা বাজারে এক টাকা লাগালে কংগ্রেস জিতলে ফেরত পাবেন ১.৪০ টাকা। আর বিজেপি জিতলে ফেরত পাবেন ৯০ পয়সা। অর্থাৎ, সাট্টা বাজারের নিয়মানুযায়ী বিজেপির পাল্লা ভারী। কিন্তু পাবলিক সেন্টিমেন্ট বলতে যা বোঝায়, সেটা যদি সাট্টায় বিনিয়োগকারীদের মনে গেঁথে বসে  তা হলে নির্বাচনের ফলাফলে কংগ্রেসের পাল্লা ভারী হলেও হতে পারে।

মধ্যপ্রদেশ

সেখানে অবশ্য সব থেকে বড়ো স্থানীয় সাট্টা বুকিদের কাছে ফলাফল খুবই স্পষ্ট। তাঁরা বলছেন, ২৩০ আসনের মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস পেতে পারে ১১২-১১৬ আসন। বিজেপির দিকে যেতে পারে ১০০-১০২ আসন। আবার উল্টো মতটাও আছে। যেমন অন্য একটা বুকি গোষ্ঠীর দাবি, বিজেপি পেতে পারে ১৩০ আসন। কংগ্রেসের দিকে যেতে পারে ১০০ আসন। অর্থাৎ, ফলাফল মিশ্র হওয়ার ইঙ্গিত।

আরও পড়ুন: ভোট চাইতে এসে প্রার্থীর হাতে চপ্পল দেখে চক্ষু ছানাবড়া ভোটারদের, দেখুন ভিডিওয়

তেলঙ্গনা

সেখানে অবশ্য তেলঙ্গনা রাষ্ট্র সমিতির জয় ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছিলেন বুকিরা। কিন্তু কংগ্রেস-টিডিপি জোড়া ফলার মুখে পড়ে সেই ফলাফল সামান্য রদবদল হতে পারে বলেও গত এক পক্ষকাল ধরে ইঙ্গিত মিলছে বলে তাঁরা দাবি করেছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here