ভোপাল: ব্লু-হোয়েলের শেষ ধাপে পৌঁছে গিয়েছে, পরীক্ষার খাতায় এমনই লিখে গিয়েছিল দশম শ্রেণির এক ছাত্র। তবে কোনো অঘটন ঘটার আগেই স্কুল এবং স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় উদ্ধার করা গিয়েছে ওই ছাত্রকে। এখন তার কাউন্সেলিং চলছে।

ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী ভোপাল থেকে ১৬০ কিমি দূরে কিলচিপুরে। ওই অঞ্চলের উৎকর্ষ স্কুলে দশম শ্রেণির অর্ধবর্ষের পরীক্ষায় বসেছিল ওই ছাত্রটি। খেলাটির ৪৯তম ধাপে সে পৌঁছে গিয়েছে, এখন যদি আত্মহত্যা না করে, তা হলে তার বাবা মাকে মেরে ফেলা হবে, উত্তরপত্রে এমনই লিখে যায় ওই ছাত্র।

উত্তরপত্র দেখতে গিয়ে ছাত্রটির আর্তি নজরে পড়ে স্কুলের সংস্কৃত শিক্ষিকা হেমলতা শৃঙ্গির। ছাত্রটি লেখে, “গত দু’মাস ধরে আমি একটি খেলায় ফেঁসে গিয়েছি। সেই খেলার শেষ ধাপে পৌঁছে গিয়েছি আমি। ওরা বলছে আমাকে আত্মহত্যা করতে, না হলে আমার বাবা মাকে মেরে ফেলা হবে।”

বেশি দেরি করেননি ওই শিক্ষিকা। সঙ্গে সঙ্গে স্কুল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন তিনি। তারাই জেলা প্রশাসন এবং ছাত্রটির অভিভাবককে জানায়। মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট প্রবীণ প্রজাপতি জানান, “মহিলা এবং শিশু সুরক্ষা দফতর থেকে ওই ছেলেটিকে কাউন্সেলিং করা হচ্ছে। তবে ছেলেটি এখনও ভয়ের মধ্যে থাকলেও, সে যে আর এই খেলাটি খেলবে না, সে কথাও জানিয়েছে।”

উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই ব্লু-হোয়েলের শিকার হয়ে জোধপুর কৈলানা লেকে ঝাঁপ দিয়েছিল এক কিশোরী। পুলিশের নজরে পড়ায় তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়। এ ছাড়াও ভোপালের এক কলেজ ছাত্রকেও ব্লু-হোয়েলের গ্রাস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বন্ধুদের সে জানিয়েছিল, হোয়াটসআপ মারফৎ সে এই লিঙ্কটা পেয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন