west bengal bribe

ওয়েবডেস্ক:  পুরসভা, পুলিশ, কর, সম্পত্তি নথিভুক্তিকরণ, বিদ্যুতের মতো পরিষেবা পেতে ঘুষ দিতে হয়। দুর্নীতি-বিরোধী সমীক্ষক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক রিপোর্টে সে বিষয়ে উঠে এল কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের পাশাপাশি বাংলার ৭১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, গত এক বছরে ঘুষ বিনিময় ও দুর্নীতি তুলনামূলক ভাবে বেড়েছে।

জনমত সমীক্ষায় মতদানকারীদের মধ্যে সব মিলিয়ে ৪৫ শতাংশ জানিয়েছেন, গত এক বছরে তাঁরা কোনো না কোনো পরিষেবা পাওয়ার জন্য ঘুষ দিয়েছেন। গত বছর ওই একই সংস্থার করা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, এই শতাংশ হার ছিল ৪৩। দেশের মোট ১১টি রাজ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে বলে সমীক্ষক সংস্থার দাবি।

west bengal bribe and corruption

১১ টি রাজ্যে মোট ৩৪৬৯৬  মতদানকারীর মধ্যে ৩৭ শতাংশ স্বীকার করে নিয়েছেন, গত এক বছর সময়কালে দুর্নীতির বহর বেড়েছে। মাত্র ১৪ শতাংশ মনে করেন কমেছে। এবং ৪৫ শতাংশ মনে করে এই পরিস্থিতি যেখানে ছিল সেখানেই দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গ এবং মধ্যপ্রদেশের চিত্রটা একটু অন্যরকম। এই দুই রাজ্যে সমীক্ষা রিপোর্ট কিছুটা হলেও স্বতন্ত্র। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া এই দুই রাজ্যের ৭১ শতাংশ মানুষ মনে করে, আগের থেকে ঘুষ বিনিময় এবং দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য দিকে মহারাষ্ট্রের ১৮ শতাংশ মনে করে দুর্নীতি বেড়েছে এবং ৬৪ শতাংশ মনে করে স্থিতাবস্থায় রয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে উত্তরপ্রদেশের ২১ শতাংশ মানুষ মনে করেন দুর্নীতি কমেছে।

ওই রিপোর্টের আর একটি চমকপ্রদ দিক হল, কেন্দ্রীয় সরকারি বিভাগগুলির প্রতি মানুষের উপলব্ধি। কেন্দ্রের অধীনে থাকা রেলওয়ে, প্রভিডেন্ড ফান্ড, আয়কর, পরিষেবা করের ক্ষেত্রে ঘুষ দিতে হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন ৯ শতাংশ। এমনকী কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের কোনো কাজের বরাত পেতে গেলেও যে ঘুষ দিতে হয়, সে কথাও কবুল করেছেন অংশগ্রহণকারীরা। যদিও বাংলা বা মধ্যপ্রদেশে এই শতাংশ হার কেন এত বেশি, সে বিষয়ে পৃথক কোনও মন্তব্য করেনি সমীক্ষক সংস্থা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here