ওয়েবডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে সবরীমালার মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন সমাজকর্মী রেহানা ফতিমা। বিগ্রহ দর্শন করতে পারেননি, কিন্তু আয়াপ্পা ভক্তদের রোষ টের পেয়েছিলেন হাড়ে হাড়ে। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করে কেরল পুলিশ। বুধবার তাঁকে সাসপেন্ড করল রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (বিএসএনএল)। এই সংস্থাতেই টেলিকম টেকনিশিয়ান পদে কর্মরত ছিলেন রেহানা।

গত ১৯ অক্টোবর সবরীমালা দর্শনে গিয়েছিলেন রেহানা। তার পর থেকেই বিপদ বাড়ে রেহানার ওপরে। ওই দিনই কোচিতে কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁর বাড়ি ভেঙে দিয়েছিল। কারা ভেঙেছিল, তা এখনও জানাতে পারেনি কেরল পুলিশ। ৩০ অক্টোবর কেরল সংরক্ষণ সমিতি নামের একটি সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে শবরীমালা মন্দিরের ঐতিহ্যে আঘাত হানার অভিযোগ আনে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করে কেরল পুলিশ।

আরও পড়ুন বাঙালি মন পেতে রথযাত্রায় রবীন্দ্রনাথ ভরসা বিজেপির
কেরল হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করলেও সেটা মঞ্জুর করেনি আদালত। কেরল মুসলিম জামাত কাউন্সিলের তরফেও তাঁর বিরুদ্ধে হিন্দু ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ আনা হয়েছিল। যদিও এখনও পর্যন্ত হাজারো চাপের মুখে পড়েলও নতি স্বীকার করেননি রেহানা।

এর পরে তাঁকে বদলিও করেছিল বিএসএনএল। কিন্তু বুধবার আরও এক কাঠি ওপরে উঠে তাঁকে সাসপেন্ডই করার সিদ্ধান্ত নিল এই সংস্থা। তবে এই ভাবে কারো ব্যক্তিগত আচরণের জন্য কাউকে সাসপেন্ড করা যায় কি না, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here