নয়াদিল্লি : চেনাবের বুক চিরে নির্মীয়মান বিশ্বের উচ্চতম রেলসেতুটি নিয়ে এ বার নানা রকমের আকর্ষণীয় পরিকল্পনায় মেতেছেন রেল ও পর্যটন দফতর। আগামী দু’ বছরের মধ্যেই এই সেতুটি ট্রেন যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হবে জানিয়েছিল মন্ত্রক। এ বার সেতুটিতে পর্যটকদের নজর টানার জন্য নানা রকম স্পোর্টসের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করছে সংশ্লিষ্ট দফতর। জানানো হয়েছে, বাঙ্গি জাম্পিং থেকে ট্রেকিং-এর ব্যবস্থা, সাইটসিইং পয়েন্ট, সুন্দর হোটেল এমন অনেক কিছুই বানানো হবে এই দুর্গম ভূখণ্ডের রেলসেতুটিকে কেন্দ্র করে। যাতে তা পর্যটকদের মুগ্ধ করে, আনন্দ দেয়।

কোঙ্কন রেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চেয়ারম্যান সঞ্জয় গুপ্তা জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে জম্মু-কাশ্মীর সরকারের সঙ্গে কথা হয়েছে। আলোচনায় উঠে এসেছে, জায়গাটিকে কী ভাবে আরও উন্নত করা যায়, আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যায় সেই সব বিষয়। এই প্রকল্পের জন্য কোঙ্কন রেল ঢেলেছে প্রায় ১২ হাজার কোটি। দৈনিক ১৪০০ শ্রমিক কাজ করছেন এখানে। এর মধ্যে ৫০০ জন রাজ্যের বাসিন্দা। এঁদের লক্ষ্য, ২০১৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করে ফেলা। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল, পর্যটনকে চাঙ্গা করা, রাজ্যে কর্মসংস্থান তৈরি করা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করা।

আরও পড়ুন : আইফেল টাওয়ারের থেকেও উঁচু রেলসেতু হচ্ছে চেনাব নদীর ওপর

উল্লেখ্য, কাজ শেষ হলে এই সেতুটি আইফেল টাওয়ারের থেকেও ৩৫ ফুট উঁচু হবে। এর উচ্চতা হবে ৩৫৯ মিটার। দৈর্ঘ্য ১.৩১৫ কিলোমিটার। সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে এই সেতুতে রাখা হবে একাধিক অত্যাধুনিক নিরাপত্তা বলয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here