৩ হাজার টাকায় শুরু করেছিলেন কাজ, এখন রোজগারের পথ খুলে দিয়েছেন একশো মহিলার

0
Krishna Yadav

ওয়েবডেস্ক: নিজের জীবনে কখনোই হার মেনে নেননি। সেই চারিত্রিক বৈশিষ্টেই এখন তিনি শুধু নিজে স্বনির্ভর নন, হাতে কাজ যুগিয়েছেন প্রায় একশো মহিলার। এক কামরার ঘরে কাজ শুরু করে এখন চালাচ্ছেন চারটি কারখানা।

এ বার আসা যাক, মূল ঘটনায়। গুরগাঁওয়ের কৃষ্ণা যাদব। ১৯৯৫-৯৬ সাল নাগাদ উত্তরপ্রদেশ থেকে হরিয়ানায় যান। লেখাপড়া শেখেননি। ফলে জীবনে সফল হতে বাড়তি ঝক্কি তো পোহাতেই হয়। তেমন কোনো আয়ের উৎস না-থাকায় একটা ছোট্ট জমিতে স্বামী গোবর্ধন যাদবের সঙ্গে শুরু করেন সবজি চাষ। এর পরই ২০০১ সালে উজবায় কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র থেকে ৩ মাসের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের একটা প্রশিক্ষণ নেন। সেখান থেকেই শিখে নেন কী ভাবে সবজি থেকে আচার তৈরি করা যায়।

একেবারে শুরুতে হাতে ছিল ৩ হাজার টাকা। সেই টাকায় বৈঁচি, লঙ্কা-সহ অন্যান্য উপকরণ কিনে পথ চলা শুরু। সেই আচার বিক্রি করে লাভের ভাঁড়ারে চলে আসে ৫,২৫০ টাকার মতো। যা লেখা রয়েছে কৃষ্ণার খাতায়।

সে দিন নিজের একটা ছোট্ট ঘরে আচার তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন কৃষ্ণা। আর এখন তিনি চারটি ছোটো কারখানার মালিক। যেখানে আচারের সঙ্গে সম্পর্কিত ১৫২ রকমের খাদ্যপণ্য তৈরি হচ্ছে। প্রায় একশো মহিলার রোজগারের পথ খুলে দিয়েছেন।

এখনও চাষের কাজটাও ছাড়েননি। নিজের উদ্যোগেই করেন সবজি চাষ। উন্নত মানের বীজ দিয়ে চাষ করায় উচ্চফলনশীল এবং ভালো গুণগত মানের সবজি দিয়েই তৈরি করছেন প্রায় দেড়শোর মতো ভিন্ন স্বাদের আচার। উপকরণ কিনে নেন স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকেও। বাকিটা আসে বাজার থেকেই।

তথাকথিত শিক্ষার সুযোগ পাননি কৃষ্ণা, কিন্তু চেষ্টা আর পরিশ্রম তাঁকে সাফল্য থেকে দূরে রাখতে পারেনি!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here