congress evm ballott paper

নয়াদিল্লি: এক নয়, দুই নয়, এগারোতম বারে কাজ হল। ভোটার ভেরিফায়েড পেপার অডিট ট্রেল (ভিভিপ্যাট) যন্ত্র-সহ নতুন ইভিএম কেনার জন্য নির্বাচন কমিশনকে ৩,১৭৩ কোটি টাকা মঞ্জুর করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

বুধবার এই টাকা মঞ্জুর করার কথা ঘোষণা অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। প্রসঙ্গত এমন একটা সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, যখন ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে সরব দেশের বিরোধী দলগুলি। ইভিএম যন্ত্রের বদলে ব্যালট পেপার ফিরিয়ে আনার জন্য দাবিও তুলেছে তারা।অন্যদিকে কমিশন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছে, কেউ ইভিএম হ্যাক করে দেখাক।

আরও পড়ুন যন্ত্র থেকে বেরোনো কাগজ বাক্সে ফেলতে হলে ব্যালট পেপার কী দোষ করল

ভিভিপ্যাট যন্ত্র কী?

ইভিএমে বোতাম টিপলে এই যন্ত্রের সাহায্যে একটি কাগজ বেরিয়ে আসে। এর ফলে কাকে ভোট দিয়েছেন, সেটা নিজেই দেখে নিতে পারবেন ভোটদাতারা। কিন্তু কাগজটি বাড়ি নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এই যন্ত্রের ফলে কারচুপি করা সহজ হবে না বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের।

গত কয়েকটি নির্বাচনে দেশের কিছু বুথে এই ‘জেনারেশন থ্রি’ ইভিএম ব্যবহার করা হলেও, সারা দেশে তা ব্যবহৃত হয়নি। সর্বত্র ব্যবহার করা হয়েছে ‘জেনারেশন ওয়ান’ ইভিএম-ই(যার সঙ্গে ভিভিপ্যাট যন্ত্র যুক্ত নেই)।

আরও পড়ুন ‘ফিরিয়ে আনা হোক ব্যালট পেপার’, কমিশনকে চিঠি ১৬টি দলের

 উল্লেখ্য, ২০১৪-র জুন থেকে কেন্দ্রকে মোট ১১ বার এই অনুরোধ জানানো হয়েছিল বলে দাবি কমিশনের। গত ২২ মার্চ ওই একই অনুরোধ জানিয়ে ফের কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদকে চিঠি লেখেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নসিম জইদি। কমিশনের দাবি, পরের লোকসভা নির্বাচনের জন্য অন্তত ষোল লক্ষ ভিভিপ্যাট যন্ত্র প্রয়োজন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পুরোটাই নতুন যন্ত্রেই হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here